সিপিজের নির্বাহী পরিচালক রবার্ট মাহনি বলেন, সাংবাদিক হাসিবুর রহমান রুবেলের নিখোঁজ ও মৃত্যুর বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে, তাঁকে তাঁর কাজের জন্য টার্গেট করা হয়েছে কি না, তা বের করতে হবে এবং অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, কর্তৃপক্ষকে বাংলাদেশের সাংবাদিকদের হত্যার ঘটনাগুলো বিচার না হওয়ার যে রেকর্ড, সেখান থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

default-image

৩ জুলাই রাত নয়টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের সিঙ্গার মোড়ে ‘কুষ্টিয়ার খবর’ নামের পত্রিকা অফিসে ছিলেন হাসিবুর। সেখানে তিনি ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তখন মুঠোফোনে একটি কল পেয়ে অফিস থেকে বের হয়ে যান। অফিস সহকারীকে বলে জানান দ্রুতই ফিরবেন। কিন্তু এর পর থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তাঁর মুঠোফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। এ ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করে তাঁর পরিবার।

এর চার দিন পর ৭ জুলাই দুপুরে কুমারখালী পৌরসভার তেবাড়িয়া এলাকায় নির্মাণাধীন গোলাম কিবরিয়া সেতুর নিচে গড়াই নদ থেকে হাসিবুরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ৮ জুলাই রাতে হাসিবুর রহমানের চাচা মিজানুর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কুমারখালী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

সিপিজের ‘গ্লোবাল ইমপিউনিটি ইনডেক্স-২০২১’ অনুসারে বিশ্বে সাংবাদিক হত্যার বিচার না হওয়া দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১১তম।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন