একই সঙ্গে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে আলা উদ্দিনকে ১৫ নভেম্বর (আজ) সকাল সাড়ে ১০টায় আদালতে হাজির হতে বলা হয়। এ অনুসারে তিনি আজ আদালতে হাজির হন।

আদালতে পিপির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফিদা এম কামাল ও মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আবদুল্লাহ আল মামুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

পরে সাঈদ আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে অঙ্গীকার করে আলা উদ্দিন নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তাঁর ক্ষমা গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। রুল নিষ্পত্তি করে হাইকোর্ট আলা উদ্দিনকে আদালত অবমাননার দায় থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।

এক আসামির নিয়মিত জামিন শুনানির সময় পিপির বিরুদ্ধে এজলাসে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানো ও স্বাভাবিক বিচারকাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ ২৫ জুলাই লিখিত আকারে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে অবগত করেন পিরোজপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু জাফর মো. নোমান। এরপর বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে উপস্থাপন করেন রেজিস্ট্রার জেনারেল।

১৯ সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতি বিষয়টি বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর ধারাবাহিকতায় শুনানি নিয়ে ১৭ অক্টোবর হাইকোর্ট পিপির প্রতি আদালত অবমাননার রুল দিয়ে তাঁকে হাজির হতে নির্দেশ দেন।