পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘অন্যান্য দেশের সংবাদমাধ্যম নিজেদের দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নিয়ে বিদেশিদের কখনোই জানাতে চায় না। দোষটা আমাদের গণমাধ্যমের, দোষটা আমাদের কালচারের। সুতরাং দোষ আমাদের সবার। এই কালচারটা পরিবর্তন করতে হবে। বিদেশিরা কিছুদিনের জন্য আসেন। তিনি তাঁর দেশের সঙ্গে আমাদের দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য আসেন। তিনি কোনো মেসেজ (বার্তা) দেওয়ার জন্য আসেন না।’

পুলিশের কাছ থেকে জঙ্গি ছিনতাইয়ের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা দুঃখজনক। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খুবই দক্ষতার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করছে। এটি নিছক দুর্ঘটনা। এ রকম সব দেশেই ঘটে। এতে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে কি না, জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি দুনিয়ার অনেক দেশেই হয়। এটি ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার মতো বিষয় নয়।

সিলেটের বিএনপির গণসমাবেশ নিয়ে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমি যে তথ্য পেয়েছি, তাঁদের আশা ছিল, লাখখানেক লোকসমাগম হবে। কিন্তু তাঁরা খুব মনঃকষ্টে আছেন, মানুষজন এত আসেনি। তাঁদের আশা ছিল, এখানে বিরাট আন্দোলন হবে। সেই আশা পূরণ হয়নি। দেশের জনগণ অত্যন্ত সজ্ঞান। জনগণ শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন দেখেই তাঁকে আবার নির্বাচিত করবেন। কেননা, দেশের উন্নয়নের জন্য স্থিতিশীল সরকার প্রয়োজন।’

সকালে সিলেট স্টেডিয়ামে সাহিত্য মেলার উদ্বোধন করা হয়। জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমানের সভাপতিত্বে ও জেলা সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশ গুপ্তের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সুব্রত ভৌমিক, অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক ফয়সল মাহমুদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন ও লোকসংগীত গবেষক আবুল ফতেহ ফাত্তাহ।