চুক্তি মোতাবেক পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন ২০০১ পাস হলেও এ আইন বাস্তবায়নের জন্য এখনো বিধিমালা হয়নি। ফলে কমিশন যথাযথভাবে কাজ শুরু করতে পারছে না। পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি কমিশনকে অকার্যকর করে রাখা ও তাদের নিষ্ক্রিয়তায় উদ্বিগ্ন প্রকাশ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

এমন পরিপ্রেক্ষিতে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে আটটি দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো চুক্তিতে প্রস্তাবিত সব অঙ্গীকারের পূর্ণ বাস্তবায়ন (যেমন ভূমি, পর্যায়ক্রমে সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন) করা, চুক্তি বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা,  পার্বত্য এলাকায় যেসব বহিরাগত বাঙালিকে সেটেলার হিসেবে বসানো হয়েছে, তাঁদের নিজ নিজ এলাকায় ফিরিয়ে নেওয়া প্রভৃতি।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন হামিদা হোসেন, জাফরুল্লাহ চৌধুরী, সুলতানা কামাল, রাশেদা কে চৌধূরী, শিরিন হক, বদিউল আলম মজুমদার, খুশী কবির, দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য,  ইফতেখারুজ্জামান, শাহীন আনাম, অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, মেঘনা গুহঠাকুরতা, আবুল বারকাত, স্বপন আদনান, রানা দাশগুপ্ত, মেজবাহ কামাল, জেড আই খান পান্না, পারভীন হাসান, সুব্রত চৌধুরী, কাজল দেবনাথ, তবারক হোসেইন, রাহনুমা আহমেদ, শামসুল হুদা, রোবায়েত ফেরদৌস, সঞ্জীব দ্রং, শহিদুল আলম, সারা হোসেন, জাকির হোসেন, সুমাইয়া খায়ের, রেজাউল করিম চৌধুরী, মোহাম্মদ তানজিম উদ্দিন খান, মো. নুর খান, জোবাইদা নাসরীন কণা, দীপায়ন খীসা, নোভা আহমেদ, পল্লব চাকমা, রেজাউল করিম লেনিন, তাসনীম সিরাজ মাহবুব, ফারাহ তানজীন, হানা শামস আহমেদ ও লেলুং খুমী।