এ বিষয়ে শিল্পমন্ত্রী, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী এবং রেলপথমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ আশা করেছেন কৃষিমন্ত্রী। আধা সরকারি পত্রে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক প্রতিকূল অবস্থায় সম্ভাব্য খাদ্যসংকট মোকাবিলায় সরকারি মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অব্যবহৃত চাষযোগ্য জমিতে খাদ্যশস্য, শাকসবজি, ডাল ও তেলবীজ চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করার সুযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান, চিনিকল, পাটকল, বস্ত্রকল ও রেলপথের অব্যবহৃত বা পতিত জমিতে আবাদের উদ্যোগ গ্রহণ করলে তা দেশে খাদ্যের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। আবাদের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট উপজেলা কৃষি অফিসার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।

পত্রে আরও বলা হয়, কোভিড-১৯ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী খাদ্য উৎপাদন ও বিপণনব্যবস্থা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। সে সঙ্গে সার, জ্বালানিসহ অত্যাবশ্যকীয় উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় খাদ্যসংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে, দেশে খাদ্যনিরাপত্তা বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি ও কোনো জমি যেন পতিত না থাকে, এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন।