জননেত্রী শেখ হাসিনা হলের শিক্ষার্থী রওজাতুল জান্নাত প্রথম আলোকে বলেন, এই হলে গণরুম থাকার কথা ছিল না, এখন গণরুমের নাম দিয়ে একটা কক্ষে গাদাগাদি করে ৫৬ জন শিক্ষার্থী থাকছেন। অথচ একটি ভবনের নির্মাণকাজ শেষ করার পরও ছাত্রী ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। আবার পাঠাগার খোলা হয় না, এতে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েন। শৌচাগার ১৫ দিন পরপর পরিষ্কার করা হয়। পুরো হলের অবস্থা অস্বাস্থ্যকর। কর্মচারীদের বললে তাঁরা উল্টো খারাপ ব্যবহার করেন। এ ব্যাপারে হল কর্তৃপক্ষকে বারবার বললেও তারা ব্যবস্থা নেয়নি।

জননেত্রী শেখ হাসিনা হলের দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্মাণকাজের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল ২০১৬ সালের অক্টোবরে। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে এ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কয়েক দফা মেয়াদ বাড়ানোর পর কাজ শেষ হয় ২০২১ সালে ডিসেম্বরে, কিন্তু এখনো এ বর্ধিত অংশ চালু হয়নি।

জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম মনিরুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, লোকবল সংকটের কারণে বর্ধিত অংশে ছাত্রী ভর্তির কাজ শুরু করা যায়নি। শিগগির তা চালু করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন