অর্থনৈতিক উন্নয়ন ধরে রাখতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন রবার্ট ডিকসন। তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করতে গণতন্ত্র ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করি, আগামী বছর দু–একের মধ্যে বাংলাদেশে এটি দেখতে পাব।’

মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থান এবং রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা এ অঞ্চলের জন্য একটি বড় নিরাপত্তা হুমকি বলে উল্লেখ করেন। ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্বের ভবিষ্যৎ এই অঞ্চলেই লেখা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদেশগুলো এ অঞ্চলকে মুক্ত ও স্বাধীন, আন্তসম্পর্কযুক্ত এবং সুরক্ষিত হিসেবে দেখতে চায় জানিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিষয়ে বাংলাদেশের চাওয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশার মিল রয়েছে। কোনো দেশকে কোনো একটি পক্ষ নিতে যুক্তরাষ্ট্র বাধ্য করে না। যুক্তরাষ্ট্র চায় এই অঞ্চল স্বাধীন ও উন্মুক্ত থাকবে, যাতে দেশগুলো নিজেরাই তাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের শক্ত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন পিটার হাস।

নানা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করেন পিটার হাস। তিনি বলেন, দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষকে কোভিড–১৯ টিকা দিয়ে বাংলাদেশ একটি নজির স্থাপন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন জাপান সফরকে ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেন জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি। তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তাদের অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা করবেন।’