সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের আমলে করা পঞ্চবার্ষিক গৃহকর পুনর্মূল্যায়নের ভিত্তিতে গৃহকর আদায়ের প্রস্তুতি শুরু করেছে সিটি করপোরেশন। এ জন্য করদাতাদের কাছে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। তবে এই কর পুনর্মূল্যায়ন নিয়ে নগরবাসীর ক্ষোভ রয়েছে। তৎকালীন মেয়রের আমলে আন্দোলনের মুখে ২০১৭ সালের ১০ ডিসেম্বর তা স্থগিত করেছিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। গত ১৮ জানুয়ারি তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে কর পুনর্মূল্যায়নের পর বার্ষিক কর নির্ধারণ করা হয় ৮৫১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। পুরোনো নিয়মে ওই দাবি ছিল ৩৪৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা। নতুন কর পুনর্মূল্যায়নের পর সরকারি খাতে হোল্ডিং দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৪৭টিতে। এর বিপরীতে বার্ষিক দাবি ছিল ২৮০ কোটি টাকা। আর বেসরকারি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭০০ হোল্ডিংয়ের বিপরীতে বার্ষিক দাবি ধরা হয় ৫৭১ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

বুধবারের সাধারণ সভায় মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, গৃহকর সহনীয় পর্যায়ে রাখা হবে। করদাতারা যাতে সহজে আবেদন করতে পারেন, সে জন্য রাজস্ব সার্কেল অফিসের পাশাপাশি প্রতিটি ওয়ার্ড কার্যালয়ে আপিল ফরম রাখা হবে।

চট্টগ্রাম নগরে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি নিয়েও আলোচনা হয় বুধবারের সভায়। অনুমোদনের ১৫ দিনের মধ্যে ওয়াসাকে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কাজ শেষ করতে হবে, সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়। এর মধ্যে মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে আবার নতুন করে অনুমোদন নিতে হবে ওয়াসাকে।

সাধারণ সভায় কাউন্সিলররা অভিযোগ করেন, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী লোডশেডিং হচ্ছে না। কখনো দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। দফায় দফায় বিদ্যুৎ আসে আর যায়। মানুষের কষ্ট হচ্ছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের উচিত লোডশেডিংয়ের সূচি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তা জনগণকে অবহিত করা। সাধারণ সভায় সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সেবা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন