দেশে তৈরি এই টিকার ট্রায়ালের প্রধান গবেষক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউতে) হেপাটোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মামুন আল আহতাব প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি), ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছে। আমরা ফেজ ওয়ান বা প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষা শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করি সেপ্টেম্বরে শুরু করতে পারব।’

বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানি গ্লোব বায়োটেকের বিজ্ঞানীরা বঙ্গভ্যাক্স টিকা উদ্ভাবন করেছেন। মানবদেহে এই টিকার পরীক্ষামূলক ব্যবহারের অনুমোদন চেয়ে প্রায় দেড় বছর আগে সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন বিজ্ঞানী ও গবেষকেরা।

অধ্যাপক মামুন আল আহতাব প্রথম আলোকে বলেন, মন্ত্রণালয় চিঠি দিয়ে পরীক্ষার অনুমোদনের কথা জানিয়েছে।

গবেষকেরা বলছেন, ৬০ জনের দেহে এই পরীক্ষা হবে। তাঁদের মধ্যে ৩০ জনের বয়স ১৮ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে এবং বাকি ৩০ জনের বয়স ৫৫ বছরের বেশি হবে। পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হবে বিএসএমএমইউতে। ট্রায়ালে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের দুই ডোজ টিকা দেওয়া হবে। প্রথম ডোজ টিকা দেওয়ার ২১ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। টিকা দেওয়ার শুরু থেকে মোট ৩৫ দিনে এই পরীক্ষা শেষ হবে।

প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষা শেষে ফলাফল পর্যালোচনা করা হবে। তারপর দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা হবে। কবে নাগাদ ব্যাপক হারে মানুষকে এই টিকা দেওয়ার উপযুক্ত হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ও গবেষকদের বড় ধরনের সাফল্য। সরকার ঠিক সময়ে অনুমোদন দিলে দেশের মানুষ আগেভাগেই দেশে তৈরি টিকার সুফল পেত।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন