আবদুল্লাহর সহপাঠী জাহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ঈদের আগের দিন টাঙ্গাইল শহরে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন আবদুল্লাহ। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে রাজধানীতে নিয়ে আসা হয়। অবস্থা খারাপ হলে সহপাঠী ও ক্যাম্পাসের অন্যান্যরা মিলে তাঁর উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, বাবা হারা আবদুল্লাহ রাজধানীতে কঠোর পরিশ্রম করে নিজের পড়াশোনা ও পরিবারের খরচ চালাতেন। তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের আসরা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানেই তাঁকে দাফন করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আবদুল্লাহর সহপাঠীদের টাঙ্গাইলে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দেওয়া হচ্ছে বলে জানান, জাহিদুল ইসলাম।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন