সীমান্ত হত্যা ও পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে জবিতে ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ

সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা ও পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা-কর্মীরা। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ১০ মে ২০২৬ছবি: প্রথম আলো

সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা। এ সময় তারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়েও উদ্বেগ জানায়।

রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘একাত্তরের গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি’ ভাস্কর্য চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার, প্রশাসনিক ভবন, বিভিন্ন অনুষদ প্রদক্ষিণ করে আবার একই স্থানে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে ছাত্রশক্তির নেতারা বলেন, সীমান্ত হত্যা নিয়ে বর্তমান সরকারের কাছ থেকে কোনো প্রতিবাদ দেখতে না পাওয়াটা যেমন লজ্জার, তেমনি দেশের জন্য হতাশার। সীমান্তে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারকে আরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

ছাত্রশক্তির জবি শাখার আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ বলেন, দিনের পর দিন সীমান্তে ভারত সরকার যে হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারকে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিতে হবে।

ছাত্রশক্তির এই নেতা আরও বলেন, ‘ভারতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছু মুসলিমকে “বাংলাদেশি” তকমা দিয়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাদের জোর করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করানোর ষড়যন্ত্র চলছে। আরেকটি রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টির আগেই আমরা নির্বাচিত সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

জবি ছাত্রশক্তির সদস্যসচিব শাহীন মিয়া বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারাই ক্ষমতায় থাকবে, যারা বাংলাদেশকে ও দেশের মানুষকে নিয়ে কথা বলবে, সীমান্ত হত্যা নিয়ে কথা বলবে এবং বিশ্বের যে প্রান্তেই মুসলিম ভাইয়েরা নির্যাতিত হোক না কেন, তাদের পক্ষে দাঁড়াবে। বাংলার মানুষ ভারতের চাপিয়ে দেওয়া কোনো রাজনীতি আর চায় না।