ভিন্নমতকে বিশৃঙ্খলা নয়, গণতন্ত্রের শক্তি হিসেবে দেখার আহ্বান শিক্ষা উপদেষ্টার

এক কৃতি শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক পরিয়ে দিচ্ছেন শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার। ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা। ঢাকা। ২১ জানুয়ারিছবি: আইইউবির সৌজন্যে

বাংলাদেশ আবার গণতান্ত্রিক শাসনের পথে ফিরছে, এই সময় কেবল উদ্‌যাপনের নয় বরং বহুত্ববাদী ও জবাবদিহিমূলক গণতন্ত্রের প্রতি নতুন করে অঙ্গীকারের বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার (সি আর আবরার)। এ অঙ্গীকারের স্বরূপ তুলে ধরে তিনি বলেছেন, যেখানে ভিন্নমত থাকবে, প্রতিষ্ঠান নাগরিকদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে এবং ভিন্নমতকে বিশৃঙ্খলা হিসেবে দেখা হবে না।

গণতন্ত্র কোনো বিমূর্ত ধারণা নয় উল্লেখ করে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, এটি মর্যাদা, অধিকার, ন্যায়বিচার ও সুযোগের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। গণতন্ত্র আপনা–আপনি টিকে থাকে না, সচেতন ও সম্পৃক্ত নাগরিকদের মাধ্যমেই এটি রক্ষা পায়। ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) ২৬তম সমাবর্তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন সি আর আবরার।

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। আইইউবির এবারের সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ হাজার ১৪০ জন স্নাতক এবং ৩৫৬ জন স্নাতকোত্তর মিলিয়ে মোট ২ হাজার ৪৯৬ জনকে ডিগ্রি দেওয়া হয়েছে। সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি হিসেবে গ্র্যাজুয়েটদের সনদ প্রদান করেন শিক্ষা উপদেষ্টা।

ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, তবে শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত উন্নয়নের বিষয় নয়, এটি সমাজের প্রতিও দায়িত্ব আরোপ করে। একজন শিক্ষার্থী তার জ্ঞান ও দক্ষতা কীভাবে ব্যবহার করবে, তার ওপর শুধু ব্যক্তিগত জীবন নয়, সমাজ ও প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎও নির্ভর করে।

নেতৃত্ব শুধু পেশাগত সাফল্য বা পদমর্যাদার বিষয় নয় উল্লেখ করে সি আর আবরার বলেন, নেতৃত্বের প্রকৃত পরীক্ষা হয়—যখন নীরব থাকা সহজ মনে হয়, কিন্তু বিবেক কথা বলতে বাধ্য করে।

বক্তব্যের শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ এবং জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান সি আর আবরার। তিনি বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগের কারণেই আজ নাগরিকেরা পরাধীনতার অবস্থান থেকে মুক্ত হয়ে অধিকার ও মর্যাদা পুনরুদ্ধার করতে পেরেছেন। জুলাইয়ের মূল্যবোধ দৈনন্দিন চর্চার মাধ্যমে টিকিয়ে রাখা এই প্রজন্মের দায়িত্ব বলে মনে করেন শিক্ষা উপদেষ্টা। তিনি বলেন, যেন নীরবতা বা ক্লান্তির কারণে সেগুলো ক্ষয়ে না যায়। নাগরিক দায়িত্ব, পেশাগত সাফল্যের কাছে হার মানতে পারে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এবার সমাবর্তনে ২ হাজার ৪৯৬ জনকে ডিগ্রি দেওয়া হয়েছে। ঢাকা। ২১ জানুয়ারি
ছবি: আইইউবির সৌজন্যে

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা সাহসী ও অনুপ্রেরণাদায়ক ছিল উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, এতে প্রমাণিত হয়েছে, নাগরিক দায়িত্ব ও গণতান্ত্রিক অঙ্গীকার কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ কৃষি, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু অভিযোজনসহ বিভিন্ন খাতে বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমে অগ্রগতি অর্জন করেছে। তবে এসব উদ্যোগ তখনই সফল হবে, যখন তরুণদের সমালোচনামূলক চিন্তা ও দায়িত্বশীল উদ্ভাবনে উৎসাহ দেওয়া হবে। তাঁর মতে, বিজ্ঞান শুধু গবেষণাগার বা প্রকাশনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি সামাজিক রূপান্তর ও মানবকল্যাণের শক্তিশালী হাতিয়ার। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান, শিল্প খাত ও কমিউনিটির মধ্যে কার্যকর সংযোগ প্রয়োজন।

বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পড়াশোনার ব্যয় প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ব্যয় অনেক শিক্ষার্থীর জন্য বড় বাধা। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেধাভিত্তিক বৃত্তি ও আর্থিক সহায়তা সম্প্রসারণের দায়িত্বও বাড়ছে।

সমাবর্তনে ডিগ্রি পাওয়া শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, সামনে এমন সিদ্ধান্ত আসবে, যেখানে বিচারবোধ, সাহস ও সততার প্রয়োজন হবে। শিক্ষা যেন কেবল ব্যক্তিগত সাফল্যের জন্য নয়, বরং প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, সুযোগ সম্প্রসারণ এবং গণতান্ত্রিক ও নৈতিক মূল্যবোধ রক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়, সেদিকে খেয়াল রাখার আহ্বান জানান তিনি।

জীবনকে অর্থপূর্ণ করার আহ্বান

সমাবর্তন বক্তার বক্তব্যে আলোকচিত্রশিল্পী শহিদুল আলম নিজের অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘ সংগ্রামের গল্প তুলে ধরে নিরাপদ ও আরামদায়ক জীবনের প্রচলিত সংজ্ঞার বাইরে গিয়ে জীবনকে অর্থপূর্ণ করে গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি বলেছেন, মানুষ কেবল বেঁচে থাকতে চায় নাকি অর্থপূর্ণ হয়ে উঠতে চায়? তাঁর ভাষায়, এর শুরু হয় ‘না’ বলার মধ্য দিয়ে—যেভাবে সব সময় হয়ে এসেছে, সেই ধারাকে প্রত্যাখ্যান করার মধ্য দিয়ে।

সমাবর্তন বক্তার বক্তব্য দেন আলোকচিত্রশিল্পী শহিদুল আলম । ঢাকা । ২১ জানুয়ারি
ছবি: আইইউবির সৌজন্যে

শহিদুল আলম বলেন, স্পষ্ট অবস্থান নিয়ে বাঁচার মধ্য দিয়ে জীবনের প্রতিটি দিন পরিপূর্ণ ও অর্থবহ হয়ে ওঠে। দেশের প্রতিটি সরকারের সঙ্গেই দ্বন্দ্ব থাকার কথা উল্লেখ করে এই আলোকচিত্রী বলেন, এরশাদের শাসনামলে তাঁর মাথার দিকে ‘লোডেড বন্দুক’ তাক করা হয়েছিল। বিএনপির প্রথম মেয়াদে তিনি আটবার গুলিবিদ্ধ হন এবং শেখ হাসিনার শাসনামলে কারাবন্দি অবস্থায় নির্যাতনের শিকার হন। তিনি বলেন, মানুষ তাঁকে সাহসী বললেও, হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার ক্ষেত্রে তিনি নিজেকে সাহসী মনে করেন না।

শহিদুল আলম বলেন, ক্রসফায়ার, গুম, দুর্নীতি, ব্যাংক লুট ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজনৈতিকীকরণ নিয়ে সর্বত্র আলোচনা হলেও প্রকৃত সমস্যা ছিল অন্য জায়গায়। ভালো ও দায়িত্বশীল মানুষ—যাঁদের কণ্ঠস্বরের গুরুত্ব ছিল, তাঁরাই নীরবতা বেছে নিয়েছিলেন।

দমনমূলক শাসন ভয় দেখিয়ে শাসন করে উল্লেখ করে শহিদুল আলম বলেন, তারা ভীতি প্রদর্শন করে, নীরবতা চাপিয়ে দেয়, হত্যা করে। প্রতিরোধ করা কঠিন ও ক্লান্তিকর। যন্ত্রণা বেশি, প্রাপ্তি কম। ঠিক সে মুহূর্তেই সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। কারণ, হাল ছেড়ে দিলেই মানুষ দমনযন্ত্রের একটি চাকা হয়ে যায় এবং দমন স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।

ফিলিস্তিনের মানুষের কাছ থেকে প্রতিরোধ শেখার আছে উল্লেখ করে এই আলোকচিত্রী বলেন, প্রকৃত নায়ক হলেন সাংবাদিক, চিকিৎসাকর্মী এবং ফিলিস্তিনের সাধারণ মানুষ, যাঁরা সবকিছু হারিয়েও প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছেন। খাদ্য, আশ্রয় ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব সত্ত্বেও এবং হত্যা তালিকায় থাকা অবস্থায়ও তাঁরা নিজেদের সম্প্রদায়ের সেবা করে যাচ্ছেন।

উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ এগিয়ে নিতে পারস্পরিক সহযোগিতার আহ্বান

সমাবর্তনে সম্মানীয় বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ। তিনি বলেন, আজকের এই সমাবর্তন শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এটি শুধু সাফল্যের মুহূর্ত নয়, বরং উচ্চশিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অতিক্রম করার স্বীকৃতি। উচ্চশিক্ষা কোনো শেষ হয়ে যাওয়া বিষয় নয়; এটি সমাজ, জ্ঞান ও উদ্দেশ্যের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রস্তুতি।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ইউজিসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনি যখন এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন, যেখানে চিন্তাকে শাণিত করা হয়, যেখানে স্বাধীন চিন্তার চর্চা রয়েছে, সেখানেই আপনার চরিত্র গড়ে ওঠে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ই আপনাকে শেখায়—আপনি যা হতে চান, তা কীভাবে হতে হয়।’ শিক্ষার্থীদের নিজের সর্বোচ্চ সক্ষমতা দিয়ে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ধারাবাহিকভাবে একাডেমিক মান, গবেষণার গুণগত দিক এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য হলো—শিক্ষার সামগ্রিক মানোন্নয়ন এবং সর্বোত্তম চর্চাগুলোর প্রসার। আমরা সরকারি ও বেসরকারি—সব বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করছি, একটি পরিবারের মতো। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।’

আইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানের কথা শিক্ষার্থীদের স্মরণ করিয়ে দেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘তোমরা যা কিছু শিখেছ, তার পেছনে তোমাদের শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার অসামান্য ভূমিকা রয়েছে। আইইউবি পরিবারের প্রতিটি সদস্য তোমাদের বিকশিত হতে আন্তরিকভাবে সাহায্য করেছেন। আজ তোমরা যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত। শিক্ষকরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন তোমাদের এই জায়গায় পৌঁছে দিতে।’

যারা শিখতে থাকে, তারাই এগিয়ে থাকে

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, ‘আপনাদের শেখা এখানেই শেষ নয়। আজ যে ডিগ্রি আপনারা গ্রহণ করছেন, সেটি কোনো গন্তব্য নয়, এটি একটি ভিত্তিমাত্র। কৌতূহলী থাকুন। প্রশ্ন করতে থাকুন। নিজের দক্ষতা উন্নত করতে থাকুন। আজীবন শিক্ষার্থী হয়ে থাকুন। পৃথিবী বদলাতে থাকবে—এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু যারা শিখতে থাকে, তারাই এগিয়ে থাকে।’

সমাবর্তনে শিক্ষার্থীদের উচ্ছাস। ঢাকা। ২১ জানুয়ারি
ছবি: আইইউবির সৌজন্যে

উপাচার্য বলেন, ‘আজ আপনারা এমন এক পৃথিবীতে পা রাখছেন, যা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং বৈশ্বিক সংযোগ আমাদের পৃথিবী দেখার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিচ্ছে। তবে শিক্ষা কেবল পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর বিষয় নয়, এটি পরিবর্তনকে গড়ে তোলার শক্তি।’

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন এডুকেশন, সায়েন্স টেকনোলজি অ্যান্ড কালচারাল ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্টের (ইএসটিসিডিটি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাকারিয়া খান, আইইউবির সহ–উপাচার্য অধ্যাপক ড্যানিয়েল ডব্লিউ লুন্ড প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইইউবির রেজিস্ট্রার আসিফ পারভেজ।

আইইউবির এবারের সমাবর্তনে চ্যান্সেলর্স স্বর্ণপদক পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের স্নাতক সাজিদ বিন মোহাম্মদ, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের তাসনুভা মাহমুদ, পরিবেশবিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের আসাদুল্লাহ ইবনে মাসুদ ও জাহরা আলম লিয়া এবং ফার্মেসি বিভাগের নাজমুন নাহার।

এ ছাড়া গ্লোবাল স্টাডিজ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স বিভাগের আহমদ তাওসিফা জামী অলরাউন্ডার স্বর্ণপদক লাভ করেন। স্নাতক পর্যায়ে অসাধারণ ফলাফলের জন্য তাসফিয়া আক্তার তানজিল, সামি রশীদ, রাইয়ান আহমেদ, সিদরাতুল মুনতাহা অহনা, ইকরাম হোসেন মাহবুব, তাহমীদ রেজওয়ান সুস্ময়কে এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অসাধারণ ফলাফলের জন্য মো. জুবায়ের আলম ইমন, ফারজানা ইসলাম, তাসমীম ফাহিমা আহমাদ, ইমরান জাহান দিগন্ত, ভিনসেন্ট দীপ গমেজ, তামিম তালহা হৃদয়কে পুরস্কৃত করা হয়।

একাডেমিক স্বীকৃতির পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে সফল শিক্ষার্থীদেরও সম্মাননা দেওয়া হয় এবারের সমাবর্তনে। এতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্য সম্মাননা পান শেখ সালওয়া সাবারা ও রশনী পারভীন। সমাজসেবায় পুরস্কার পান শাহরুখ বিন হান্নান, স্পোর্টস অ্যাকটিভিটিস অ্যাওয়ার্ড পান মো. টিপু সুলতান ও মাহা মোরশেদ।