ফোনালাপে তাঁরা বাংলাদেশ ও রাশিয়ার সম্পর্কের বিষয়ে আলোকপাত করেন এবং এ সম্পর্ককে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকার কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব সময় কৃতজ্ঞতার সঙ্গে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা মনে রাখবে।

এ ছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিতে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন এ কে আব্দুল মোমেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভ মিয়ানমারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন বলেও আশ্বস্ত করেছেন।

জাতিসংঘ ও অন্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার সহযোগিতা নিয়েও দুই মন্ত্রী কথা বলেন। সের্গেই লাভরভ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশকে সহযোগিতার জন্য রাশিয়াকে ধন্যবাদ জানান। এ ছাড়া তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

উল্লেখ্য, প্রথমবারের মতো রাশিয়ার কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা সফরের কথা ছিল। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভের সৌজন্য সাক্ষাতের কথা ছিল।