জ্বালানিসংক্রান্ত অর্থনীতিবিদ ও আইইএর নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরল বলেন, চলমান জ্বালানিসংকট পরিবেশবান্ধব জ্বালানির রূপান্তর গতিশীল করছে। আইইএর প্রতিবেদনে এ–ও বলা হয়েছে, কোনো কোনো দেশ জ্বালানি নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ভয়ে তেল ও কয়লার মতো জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের দিকে যাচ্ছে। এতে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।

বাংলাদেশের প্রসঙ্গও এসেছে আইইএর প্রতিবেদনে। বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গ্যাস–সংকট দেখা দিয়েছে। এসব দেশগুলোকে আমদানি করা গ্যাসের ওপর নির্ভর করতে হয়। ইউরোপে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি দামে গ্যাস আমদানি করা এই দেশগুলোর জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। ২০৫০ সালের মধ্যে এসব দেশের গ্যাস আমদানি অনেক বেড়ে যাবে।

আইইএর প্রতিবেদন বলছে, নতুন পরিকল্পনা অনুসারে ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বছরে দুই ট্রিলিয়ন ডলার হতে পারে। তবে ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনতে ২০৩০ সালে এ বিনিয়োগ চার ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে হবে।