মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির বিষয়টি মাথায় রেখে আবার খরচ কমানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য ইতিমধ্যে প্রকল্পগুলোকে এ, বি ও সি—এই তিন শ্রেণিতে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে এ শ্রেণির প্রকল্পগুলো অবিলম্বে বাস্তবায়ন প্রয়োজন। এগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় সব টাকাই খরচ করা যাবে। বি শ্রেণির প্রকল্পগুলোর জন্য ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত টাকা খরচ করা যাবে। আর সি শ্রেণির প্রকল্পগুলো আপাতত স্থগিত থাকবে।

তখন সাংবাদিকেরা মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, এই শ্রেণিগুলো কিসের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে। জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ঠিক করবে। এটি হবে গুরুত্ব অনুযায়ী। যদি সংশ্লিষ্ট কোনো মন্ত্রণালয় মনে করে কোনো একটি প্রকল্পের শ্রেণি পরিবর্তন করা দরকার, তাহলে তারা অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারণ করবে।

কেনাকাটার বিষয়েও নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, যেসব কেনাকাটা অবিলম্বে করার দরকার নেই, সেগুলো আপাতত স্থগিত থাকবে। যেমন গাড়ি কেনার কথা জোরালোভাবে মানা করে দেওয়া হয়েছে।

আর বৈদেশিক প্রশিক্ষণের বিষয়ে আগেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তবে ক্রয়সংক্রান্ত (প্রকিউরমেন্ট) বিষয়ের অধীন বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হলে তাতে যাওয়া যাবে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া বৈদেশিক সাহায্যসংক্রান্ত বিষয়েও বিদেশে যাওয়ার সুযোগ আছে বলে জানান তিনি; অর্থাৎ প্রকিউরমেন্ট বিষয় ছাড়া অন্যান্য বিষয়ে সরকারি টাকায় বিদেশ যাওয়া যাবে না। বিষয়টি তিনি আরও পরিষ্কার করতে গিয়ে বলেন, যেমন, সরকারের টাকায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১০ জন স্টাডি ট্যুরে যাবেন, এটা বন্ধ হবে।

এ ছাড়া গাড়ি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া, উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। এসব বিষয়ে সবাইকে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন