পে কমিশনের সুপারিশ রেখে যাওয়া ‘অ্যাডভান্স ব্ল্যাকমেলিং’: কামাল আহমেদ

‘বাংলাদেশে গণমাধ্যম সংস্কার: স্বাধীনতা, দায়িত্ব ও ক্ষমতার সমন্বয়’ শীর্ষক নীতি সংলাপে বক্তব্য দেন কামাল আহমেদ। সিরডাপ মিলনায়তন, ঢাকাছবি: প্রথম আলো

সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য নতুন পে কমিশনের সুপারিশকে ‘অ্যাডভান্স ব্ল্যাকমেলিং’ বলে মন্তব্য করেন সাবেক গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ। তিনি মনে করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হওয়া পে কমিশনের সুপারিশ পরের সরকারের জন্য একটি বাধ্যবাধকতা চাপিয়ে দেওয়া। এটি একধরনের ব্ল্যাকমেলিং।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশে গণমাধ্যম সংস্কার: স্বাধীনতা, দায়িত্ব ও ক্ষমতার সমন্বয়’ শীর্ষক নীতি সংলাপে আলোচনা করতে গিয়ে কামাল আহমেদ এ কথা বলেন। সংলাপের আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)।

অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে কামাল আহমেদ বলেন, ‘যে কাজটা আপনি করবেন না, সেই কাজের একটা বোঝা আগামী সরকারের ওপর চাপিয়ে রেখে গেলেন, যাতে ওইটা নাকচ করলে রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ আমলাদের অসহযোগিতার সম্মুখীন হয়। এটা একধরনের “অ্যাডভান্স ব্ল্যাকমেলিং”।’

যে কাজটা অন্তর্বর্তী সরকার করবে না, সেটার সুপারিশ পরের সরকারের জন্য কেন করে রেখে যাচ্ছে, সেই প্রশ্ন তোলেন এই সাংবাদিক।

আলোচনায় গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন না হওয়া নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন কামাল আহমেদ। এ সময় সাংবাদিকদের বেতন–ভাতার প্রসঙ্গ আসে। কামাল আহমেদ বলেন, পে কমিশনের ফলাফল হিসেবে পরবর্তী সরকারও আমলাদের বেতন বাড়াবে। তারা সব সময় বাড়তি সুবিধা পেয়ে এসেছেন এবং ভবিষ্যতেও পাবেন। অন্যদিকে এক দশকের বেশি সময় ধরে সাংবাদিকদের বেতন–ভাতার কোনো পরিবর্তন নেই। ওয়েজ বোর্ডের কোনো পরিবর্তন নেই।

আরও পড়ুন

সংলাপে উপস্থিত ছিলেন নিউ এজের সম্পাদক নূরুল কবীর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শামীম রেজা, ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ প্রমুখ। সংলাপটি সঞ্চালনা করেন সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমান।

আরও পড়ুন