মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গত ১৪ মার্চ এই খসড়াটি নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। সংশোধনীর বিষয়বস্তু বলতে গিয়ে তিনি বলেন, অনেক সময় বিপক্ষের লোকজনের ভিকটিমকে চরিত্রহীন প্রমাণ করার প্রবণতা থাকে। এ জন্য অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করা হয়। এটি নিয়ন্ত্রণ করে দেওয়া হয়েছে। কারও চারিত্রিক বিষয়ে প্রশ্ন করতে হলে আগে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। আদালতই বিবেচনা করবেন কারও চারিত্রিক বিষয়ে প্রশ্ন করা যাবে কি না।

এ ছাড়া ডিজিটাল আদালত, ডিজিটাল সাক্ষ্য ইত্যাদি কিছু বিষয়েও সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে আইনের খসড়ায়।

বৈঠকে বাংলাদেশ শিল্প-নকশা আইন ও গ্রাম আদালত (সংশোধন) আইনের খসড়া, সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ নীতিমালা এবং বাংলাদেশ ও রুয়ান্ডার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বিমান চলাচলসংক্রান্ত চুক্তির খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন