মার্কস অ্যাকটিভ স্কুল জিনিয়াস: দেশসেরা মেধাবীরা পেল সম্মাননা ও স্বীকৃতি
দেশের অন্যতম সেরা মিল্ক ব্র্যান্ড ‘মার্কস অ্যাকটিভ স্কুলের’ উদ্যোগে এবং টেন মিনিটস স্কুলের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘মার্কস অ্যাকটিভ স্কুল জিনিয়াস’ প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এবং টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও আয়মান সাদিক।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে অনলাইনে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় সারা দেশ থেকে এক লাখের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয়। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে জুনিয়র (৫ম–৬ষ্ঠ শ্রেণি), ইন্টারমিডিয়েট (৭ম–৮ম শ্রেণি) এবং সিনিয়র (৯ম–১০ম শ্রেণি)—তিনটি গ্রুপ থেকে মোট ১৫০ জন শিক্ষার্থী চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। গ্র্যান্ড ফিনালের অনুষ্ঠানটি বিভাগভিত্তিক তিন পর্বে (৩, ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারি) প্রচারিত হয় আরটিভিতে। পর্বগুলো দেখা যাবে আরটিভি এন্টারটেইনমেন্ট এবং মার্কস অ্যাকটিভ স্কুলের ইউটিউব চ্যানেলে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আয়মান সাদিক।
চূড়ান্ত পর্ব বা গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশগ্রহণকারীরা বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি, এআই, শিল্পকলা ও আইকিউ বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা প্রদর্শন করে। ‘বাজার রাউন্ডে’ দ্রুত সঠিক উত্তর দিয়ে অতিরিক্ত পয়েন্ট অর্জনের সুযোগ ছিল শিক্ষার্থীদের। জমজমাট লড়াই শেষে তিন বিভাগের সেরা শিক্ষার্থীরা অর্জন করে বিজয়ীর মুকুট।
মার্কস অ্যাকটিভ স্কুল জিনিয়াসের বিজয়ীরা
জুনিয়র বিভাগ (৫ম–৬ষ্ঠ শ্রেণি): চ্যাম্পিয়ন ঢাকার বিএএফ শাহীন কলেজের সাদাত শরাফাত হোসাইন চৌধুরী, প্রথম রানারআপ কুষ্টিয়া পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজের বায়েজিদ ইসলাম এবং দ্বিতীয় রানারআপ সেন্ট জোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের মো. নবীহ হোসাইন।
ইন্টারমিডিয়েট বিভাগ (৭ম–৮ম শ্রেণি): চ্যাম্পিয়ন মাইলস্টোন কলেজের তিতাস চৌধুরী, প্রথম রানারআপ ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের মাহির দাইয়ান এবং দ্বিতীয় রানারআপ রংপুর জিলা স্কুলের জাওয়াদ চৌধুরী।
সিনিয়র বিভাগ (৯ম–১০ম শ্রেণি): চ্যাম্পিয়ন ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের আম্মার ইবনু শামীম, প্রথম রানারআপ টাঙ্গাইল পুলিশ লাইনস আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের মো. রিদওয়ানুল ইসলাম রিয়াদ এবং দ্বিতীয় রানারআপ গভর্নমেন্ট সায়েন্স হাইস্কুলের আসিফ মাহমুদ।
প্রতিটি বিভাগের চ্যাম্পিয়ন ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার, প্রথম রানারআপ ১ লাখ টাকার এবং দ্বিতীয় রানারআপ পায় ৫০ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি। সঙ্গে সবার জন্যই ছিল ট্রফি। এ ছাড়া প্রতিটি গ্রুপের ৪র্থ থেকে ১০ম স্থান অর্জনকারীরা পেয়েছেন পদক এবং ২৫ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি।
আয়োজকদের মতে, মার্কস অ্যাকটিভ স্কুল জিনিয়াস অনুপ্রাণিত করেছে মেধাবীদের, বাড়িয়েছে তাঁদের আত্মবিশ্বাস ও জ্ঞানের পরিধি। দেশের মেধাবী প্রজন্মকে আরও অনুপ্রাণিত করতে ভবিষ্যতেও এই উদ্যোগ চালিয়ে যাওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, গ্র্যান্ড ফিনালের মঞ্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে মার্কস অ্যাকটিভ স্কুল ব্র্যান্ডের এক্সট্রা নিউট্রিশনে পরিপূর্ণ নতুন পণ্য ‘মার্কস অ্যাকটিভ স্কুল ফর্টিফায়েড ইনস্ট্যান্ট মিল্ক’। স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের জন্য বাড়তি পুষ্টি নিশ্চিত করতে পণ্যটিতে রয়েছে এক্সট্রা ভিটামিন ও এক্সট্রা মিনারেলস।