আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজয়ী প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ জাহাজী লিমিটেডকে পুরস্কার তুলে দেন। পুরস্কার হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি ৫ লাখ টাকা, ১ লাখ ২৫ হাজার মার্কিন ডলার সমমূল্যের হুয়াওয়ে ক্লাউড ক্রেডিট এবং এর উদ্যোক্তারা বিদেশের সফল স্টার্টআপগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাবেন।

দেশীয় ১৮০টি স্টার্টআপ এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। বুট ক্যাম্প ও স্বতন্ত্র দুটি বিচারক প্যানেল বাছাইয়ের কাজ করে। তিনটি ধাপ পেরিয়ে আইডিয়া রাউন্ড ও আর্লি স্টেজে মোট ২০টি প্রতিষ্ঠান চূড়ান্ত পর্বের জন্য বিবেচিত হয়।

এ বিষয়ে জাহাজীর জনসংযোগ বিভাগের প্রধান জোনাথন দাস বলেন, ‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন খাতে ডিজিটাল ইকো সিস্টেম তৈরি করতে পারব বলে আমরা আশাবাদী। ভালো বিনিয়োগকারী পেলে আমরা দেশের গণ্ডি ছেড়ে বিদেশেও কাজ করতে পারব ও বৈচিত্র্যময় সেবা আনতে পারব।’

সম্প্রতি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সিড স্পার্ক প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ এশিয়ার স্টার্টআপগুলোর মধ্যে বিজয়ী হয় জাহাজী। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে জাহাজীকে নিয়ে ফিচারও লেখা হয়।

বাংলাদেশের নৌপথের জন্য জাহাজী একটি আইওটি ডিভাইস তৈরি করেছে, যেটি বাংলাদেশে বানানো একমাত্র ডিভাইস, যা নৌপথের প্রায় সবখানে ডেটা ট্রান্সমিশন-সুবিধা দিতে পারে। জাহাজী অ্যাপসটি ব্যবহার করে অভ্যন্তরীণ নৌরুটে বাল্কহেড ভাড়া করার পাশাপাশি যেকোনো নৌযান ট্র্যাক করা যায়। অভ্যন্তরীণ জাহাজের কর্মীরা অ্যাপটি ব্যবহার করে চাকরি খুঁজে নিতে পারেন।