সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী বলেন, ‘চাল আমদানির কারণে কৃষকদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা নেই। বাজার স্থিতিশীল রাখতেই সরকার চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। চাল আমদানির ক্ষেত্রে আমাদের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টার্গেট আছে। সেই পরিমাণ চাল দেশে এসে গেলে আমদানি বন্ধ করে দেওয়া হবে।

আমরা প্রতিদিনই নিবিড়ভাবে বাজার মনিটর করছি। এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয় একত্রে কাজ করছে। কাজেই চাল আমদানির কারণে দেশীয় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা নেই।’ দেশে ধানের অবৈধ মজুত সন্ধানে অভিযান থেমে যায়নি বলেও জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘চালের দাম চাহিদা-সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল। তবে সিন্ডিকেট করে অনেকে বেশি মুনাফা করার চেষ্টা করে। এদের নিবৃত্ত করার জন্যও চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আমদানির কারণেই চালের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। এবং আমার ধারণা, দাম কিছুটা কমেছে।’

বিদেশিদের সঙ্গে বিএনপির সাম্প্রতিক বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশি বা আমাদের উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে বিএনপি মতবিনিময় করতেই পারে। তবে ক্ষমতায় যেতে হলে বিএনপিকে দেশের জনগণের কাছে যেতে হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েই ক্ষমতায় আসতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র বা বিদেশি শক্তি যত বড় ক্ষমতাধরই হোক না কেন, বাংলাদেশের নির্বাচনে তারা কোনো ভূমিকা রাখতে পারবে না।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন