আদালত সূত্র জানায়, আসামি রায়হান নগরের কাজেম আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র থাকাকালে কলেজ ফাঁকি দিয়ে ‘উচ্ছৃঙ্খল’ জীবনযাপন করতেন। এ বিষয়ে রায়হানকে তাঁর বড় ভাই সোহেল চৌধুরী শাসন করতেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পরিকল্পিতভাবে সোহেল চৌধুরীকে রায়হান তাঁর কক্ষে ডেকে নেন। ঢোকার পরপরই দরজা বন্ধ করে দিয়ে একাধিক ছুরিকাঘাত ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে সোহেলকে হত্যা করা হয়।

ঘটনার কিছুক্ষণ পরে তাঁদের মা রায়হানের কক্ষে সোহেলকে খুঁজতে গেলে রায়হান দ্রুত কক্ষ ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী পারভীন আক্তার বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ রায়হানকে গ্রেপ্তার করলে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে পুলিশ পরের বছরের ৪ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামি রায়হান চৌধুরী পড়াশোনা ফাঁকি দিয়ে উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপন করতেন। গভীর রাতে বাসায় ফিরতেন। এসব করতে বারণ করায় বড় ভাইয়ের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে খুন করেন।

২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করে এই মামলার বিচার শুরু করেন। ১৩ জনের সাক্ষ্য শেষে আদালত এই রায় দিলেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন