বুধবার সাইবার ট্রাইব্যুনাল চট্টগ্রামের বিচারক মোহাম্মদ জহিরুল কবিরের আদালতে মামলাটি করেন মোরশেদ সিদ্দিকী নামের এক ব্যক্তি। তিনি মামলায় নিজেকে ‘জাতীয় পার্টি পুর্নগঠন প্রক্রিয়ার’ চট্টগ্রামের আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বিদিশা সিদ্দিক জাতীয় পার্টির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী কামরুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, আদালত অভিযোগের সত্যতা তদন্তের জন্য পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট চট্টগ্রামকে নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ৬ এপ্রিল প্রতিবেদনের জন্য তারিখ রয়েছে।  

মামলার আরজিতে বলা হয়, গত ১৮ জানুয়ারি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান হিসেবে কাজী মামুনুর রশীদ এবং সদস্য দাবিদার বাকি তিনজন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেন। এতে কাজী মামুনুর রশীদ বলেন, ‘সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের বাসভবন প্রেসিডেন্ট পার্কে মা বিদিশা সিদ্দিকের কাছে এরিক এরশাদ নিরাপদ নন। বিদিশা সিদ্দিক অর্থের লোভে প্রেসিডেন্ট পার্কে অনুপ্রবেশ করেছেন। একই সঙ্গে এরিক এরশাদ শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী হলেও মানসিকভাবে সুস্থ, তাকে মুক্তভাবে চলাফেরা করতে দিতে হবে।’

সংবাদ সম্মেলনের এই বক্তব্য টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখে নিজ দলের নেত্রী বিদিশার মানহানি হয়েছে বলে বাদী মামলায় দাবি করেছেন। বিদিশা সিদ্দিক জাতীয় পার্টির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।