default-image

ইসিকে নজরদারিতে রাখার পরামর্শ দেন হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, ‘আপনাদের নজরদারি থাকতে হবে। আমরা কি আসলেই সাধু পুরুষ, না ভেতরে-ভেতরে অসাধু, সেই জিনিসটা আপনারা যদি নজরদারি না রাখেন, তাহলে আপনারাও আপনাদের দায়িত্ব পালন করলেন না। কঠোর নজরদারিতে আমাদেরকে (ইসি) রাখতে হবে।’

কোনো অভিযোগ পেলে সঙ্গে সঙ্গে ইসিকে তা জানানোর পরামর্শ দেন সিইসি। তিনি বলেন, ‘আপনারা আমাদের অবশ্যই চাপে রাখবেন। আমি বিশ্বাস করি, এটা প্রয়োজন আছে। আমাদের থেকে কোনো অনিয়ম লক্ষ করলে তা প্রকাশ করে দেবেন। আমরা কোনোভাবেই পক্ষপাতিত্ব করতে চাই না।’

ভোটে অর্থ ও পেশিশক্তির ব্যবহার বন্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান হাবিবুল আউয়াল।

ভোটে ইভিএমের ব্যবহার প্রসঙ্গেও কথা বলেন সিইসি। তিনি বলেন, ‘লাঠি দিয়ে, হকিস্টিক দিয়ে ইভিএম মেশিনটা ভেঙে ফেলতে পারবেন, কিন্তু এখানে ভোটের নড়চড় হবে না।’

হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘২০১৮ সালের যে নির্বাচনের কথা বলেছেন, না, ওভাবে নির্বাচন হবে, এটি আপনারা আশা করেন না। আমরা সেটি জানিও না, দেখিওনি। নির্বাচন নির্বাচনের আইন অনুযায়ী হবে। সময় দেওয়া হবে। ভোটাররা যাবেন। ভোট দিতে থাকবেন।’

ইসিতে নিবন্ধিত মোট ৩৯টি রাজনৈতিক দলকে এ সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ৩১ জুলাই আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শেষ হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন