ডিজিটাল নথির যুগে প্রবেশ করল চুয়েট
বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম ধাপে ডিজিটাল নথির (ডি-নথি) যুগে প্রবেশ করেছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)।
গতকাল রোববার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ প্রথম পর্বে দেশের আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি-নথি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চুয়েটের উপাচার্য মোহাম্মদ রফিকুল আলম তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে এ কার্যক্রমের সূচনা করেন। এ সময় তিনি নিজের ডিজিটাল আইডি দিয়ে লগইন করে আইসিটি বিভাগে একটি পত্র পাঠান।
অনুষ্ঠানে চুয়েটের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, আইআইসিটির সিস্টেম অ্যানালিস্ট তৌহিদুর রহমান ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার এস এম মোখতারুল মোস্তফা ইউজিসিতে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ডি-নথি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইলের কাজ ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হবে। উপাচার্যসহ সব পর্যায়ের অনুমোদনকারী ব্যক্তিরা যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো সময় ফাইল অনুমোদন করতে পারবেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সময় ও খরচ যেমন কমবে, তেমনি কাগজ সাশ্রয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি আরও বেশি নিশ্চিত হবে। এ ছাড়া প্রশাসন ও একাডেমিক ক্ষেত্রে কাজে গতিশীলতা বাড়বে।
পর্যায়ক্রমে দেশের সব পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ডি-নথি কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে। প্রথম পর্যায়ে ডি-নথির আওতায় আসছে আরও সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো—শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি ও শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়।