ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ৮৫ জন অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থীকে আজ বৃহস্পতিবার সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে চলতি বছর এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া ৫৫ জন এবং এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া ৩০ জন। ২০১৩ সালে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া যে ৫০ জন অদম্য মেধাবীকে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের মধ্য থেকে এই ৩০ জন এবার এইচএসসিতেও তাঁদের কৃতিত্ব অক্ষুণ্ন রেখেছেন। এই ৩০ জনকে দেওয়া হবে উচ্চতর শিক্ষার জন্য বৃত্তি।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সিএ ভবনের দশম তলায় (১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ) সকাল সাড়ে নয়টায় অনুষ্ঠান শুরু হবে।
প্রথম আলো কৃতী শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া শুরু করেছিল ১৯৯৯ সালে। ওই বছর সিরডাপ মিলনায়তনে এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। প্রথম আলোর নিজস্ব তহবিল থেকে সেবার বেশ কয়েকজন দরিদ্র শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়।
প্রথম আলো ট্রাস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৭ সালে অদম্য মেধাবীদের শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া শুরু করে। ওই বছর ২১ জন অদম্য মেধাবীকে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়েছিল। ২০০৯ সাল থেকে অদম্য মেধাবীদের ঢাকায় সংবর্ধনা দেওয়া শুরু হয়। ইতিমধ্যে ৫৮২ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। বর্তমানে ২৯৩ জন শিক্ষার্থী নিয়মিতভাবে বৃত্তি পাচ্ছেন।
২০১০ সাল থেকে অদম্য মেধাবীদের শিক্ষাবৃত্তি দেওয়ার আর্থিক দায়িত্ব নিয়ে এতে যুক্ত হয় ব্র্যাক ব্যাংক। তাদের অংশগ্রহণে এ কর্মকাণ্ডের ব্যাপ্তি আরও বেড়ে যায় । এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া অদম্য মেধাবীদের মধ্যে যাঁরা এইচএসসিতেও জিপিএ-৫ পাবেন, তাঁদের উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষাবৃত্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ব্র্যাক ব্যাংক। নির্বাচিত ৫০ জন অদম্য মেধাবী ও পূর্ববর্তী বছরের অদম্য মেধাবীদের যাঁরা পুনরায় এইচএসসি পর্যায়ে জিপিএ-৫ অর্জন করেন, তাঁদের নিয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এ ছাড়া দরিদ্র পরিবারের প্রথম নারী যিনি স্নাতক পর্যায়ে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে পড়ছেন, প্রতিবছর এ রকম ১০ জন শিক্ষার্থীকে প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে ট্রান্সকম সহায়তা করে। ২০১২ সাল থেকে এই বৃত্তির প্রচলন হয়। বর্তমানে ৪০ জন নারী এই বৃত্তি পাচ্ছেন।