কাইয়ুম সন্দেহের তালিকায়

বিএনপির ঢাকা মহানগর কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ কাইয়ুম ওরফে কাইয়ুম কমিশনার ইতালির নাগরিক সিজার তাবেলা হত্যাকাণ্ডের সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
গতকাল বুধবার সচিবালয়ে আমির হোসেন আমুর সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের পর মন্ত্রী এ কথা বলেন।
অবশ্য এর আগে গত মঙ্গলবার প্রথম আলোকে মন্ত্রী বলেছিলেন, তাবেলা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে থাকা ‘বড় ভাই’ হচ্ছেন বিএনপির ঢাকা মহানগরের যুগ্ম আহ্বায়ক কাইয়ুম কমিশনার ।
বুধবার সচিবালয়ে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কাইয়ুমকে সন্দেহের তালিকায় রেখেছি।’ তিনি বলেন, ‘আমি পুনরাবৃত্তি করে বলছি, একটি পত্রিকায় ছাপা হয়েছে কাইয়ুম বিএনপির এক ওয়ার্ড কমিশনার, আমরা তাঁকে সন্দেহের তালিকায় রেখেছি। তাঁকে ছাড়া আরও অনেকজনকে সন্দেহ করেছি, তাঁরাও সন্দেহের তালিকায় আছে।’
এদিকে বৈঠকের পর আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, দেশে অরাজক অবস্থা সৃষ্টির জন্য ২০১৪ সালে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে ধরনের কার্যক্রম হয়েছিল, তা বিক্ষিপ্ত-বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন সময় সংঘটিত হচ্ছে। তাবেলা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার একজন স্বীকারোক্তি দিয়েছেন, আরও তিনজন রিমান্ডে আছেন। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অত্যন্ত সন্তোষজনক কার্যক্রমের মাধ্যমে বিভিন্ন সংকট মোকাবিলা করছে।
মন্ত্রী বলেন, তাজিয়া মিছিলে বোমা হামলার ঘটনায় জিলানী নামে একজন গ্রেপ্তার রয়েছে এবং আরও তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। গাবতলীতে এসআই ইব্রাহীম মোল্লা হত্যায় জড়িত থাকায় ঘটনাস্থল থেকে মাসুদ রানা নামে একজনকে গ্রেপ্তারের পর বগুড়া থেকে জামায়াত-শিবিরের চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
চলতি বছর ৬ হাজার ১৭৬ জন রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে জানিয়ে আমির হোসেন আমু বলেন, রোহিঙ্গা আসা ঠেকাতে সীমান্তে ৪৮টি চৌকি বসানো হয়েছে।
পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে মাদক নির্মূল অভিযানে গত ১৫ মাসে পাঁচ হাজার লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে মাসব্যাপী মাদকবিরোধী অভিযান চলবে।