ছাত্র পরিষদের কর্মীদের জামিন চেয়ে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি বিশিষ্টজনদের
ছাত্র অধিকার পরিষদের গ্রেপ্তার নেতা-কর্মীদের ঈদের আগে জামিন দেওয়ার দাবি জানিয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে। গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনসহ দেশের বিশিষ্টজনেরা গত মঙ্গলবার এ চিঠি দেন। শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে এক সংবাদ সম্মেলনে ওই চিঠির বিষয়ে জানানো হয়।
ভার্চ্যুয়ালি সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘ছাত্রদের জামিন দেওয়া উচিত। জামিন একটা অধিকারের ব্যাপার। বিশেষ করে ছাত্রসমাজ ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখে এসেছে। তারা বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে জনমত গঠন করে, আন্দোলন করে।
সেগুলোকে আমরা সব সময় উৎসাহিত করেছি এবং এখনো সেটা হওয়ার কথা। অতীতে নিম্ন আদালত সাহসী ভূমিকা রেখেছে, অনেক সময় তারা জামিন দিয়েছে। উচ্চ আদালত পর্যন্ত আসতে হয়নি। জামিন সবারই অধিকার, জামিন পাওয়ার অধিকার সবারই আছে।’ প্রধান বিচারপতির কাছে দেওয়া চিঠি সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
চিঠিতে বিশিষ্টজনেরা বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, দণ্ডবিধিসহ বিভিন্ন আইনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের সাবেক সমাজকল্যাণ সম্পাদক আখতার হোসেনসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের অর্ধশতাধিক ছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দেশে চলমান করোনা পরিস্থিতি ও ঈদ সামনে রেখে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আমাদের সন্তানতুল্য এই ছাত্ররা অবিলম্বে জমিনে মুক্তি পাওয়ার অধিকারী বলে আমরা মনে করি।’
ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেন ড. কামাল হোসেন, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, জাফরুল্লাহ চৌধুরী, মইনুল হোসেন, হাফিজ উদ্দিন খান, আ স ম আবদুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্না, পারভীন হাসান, দিলারা চৌধুরী, বদিউল আলম মজুমদার, শিরিন হক, রেহনুমা আহমেদ, রেজা কিবরিয়া, আসিফ নজরুল, নঈম জাহাঙ্গীর, ইসতিয়াক আজিজ, শেখ রফিকুল ইসলাম ও জোনায়েদ সাকি। সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের অনেকেই সশরীর উপস্থিত ছিলেন।