দেশের আদালতগুলোতে চলতি বছরের শুরুতে (১ জানুয়ারি) বিচারাধীন মামলা ছিল ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ৩৬০টি। ২০১১ সালের শেষে সব আদালত মিলিয়ে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল ২১ লাখ ৩২ হাজার ৪৬টি মামলা। অর্থাৎ এক বছরে মামলা বেড়েছে তিন লাখেরও বেশি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ গত শনিবার এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, দেশে বর্তমানে ২৪ লাখ ৫৫ হাজার মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। দীর্ঘসূত্রতার কারণে আদালতে মামলাজট তৈরি হয়। আদালতের বাইরে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) মাধ্যমে বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি হলে মামলাজট কমবে।
প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর এক অভিভাষণে বলেন, আদালতের পূর্ণাঙ্গ সময়টুকু বিচার ও শুনানির কাজে লাগালে শুধু মামলা নিষ্পত্তির হারই বৃদ্ধি পাবে না, মামলাজটও কমবে। এতে বিচারপ্রার্থী জনগণ দীর্ঘ হয়রানি থেকে মুক্তি পাবেন।
আইনজীবী এম জহির প্রথম আলোকে বলেন, মানুষ বাড়ছে, মানুষের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদও বাড়ছে। ফলে মামলার সংখ্যাও বাড়ছে। শুনানি করে রায় দিতে হয় এবং লিখতে হয়। রায় লিখতে সময় লাগে।
সুপ্রিম কোর্ট সূত্র জানায়, ২০১১ সালের শুরুতে দেশে বিচারাধীন মামলা ছিল ২০ লাখ ১০ হাজার ৩২৪। ওই বছর দায়ের ও পুনরুজ্জীবিত হয় ১০ লাখ ৮৩ হাজার ৮২৭ মামলা। নিষ্পত্তি হয় নয় লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৯ মামলা। বদলি হয় ১৩ হাজার ১১৬ মামলা।
মামলার সংখ্যা: সূত্রমতে, অধস্তন আদালতে বিচারকসহ বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তার পদের সংখ্যা এক হাজার ৭৬০। উচ্চ আদালতে রয়েছেন ৯৯ জন বিচারপতি। ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিচারাধীন মামলার মধ্যে আপিল বিভাগে সাড়ে ১৫ হাজার, হাইকোর্টে দুই লাখ ৯৭ হাজার ৭৩১ এবং অধস্তন আদালতে ছিল ২১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮২টি।
সুপ্রিম কোর্টের ২০১১ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৯ সালে আপিল বিভাগে বিচারপতি ছিলেন ১১ জন এবং বিচারাধীন মামলা ছিল পাঁচ হাজার ৬০টি। ওই বছর দায়ের হয় চার হাজার ৪০৩টি এবং নিষ্পত্তি হয় ছয় হাজার ৩৫ মামলা। ২০১০ সালে বিচারপতি ছিলেন আটজন, মামলা ছিল নয় হাজার ১৪১। ওই বছর দায়ের হয় পাঁচ হাজার ৪৬৪টি মামলা, নিষ্পত্তি হয় এক হাজার ৫৮৩টি। ২০১১ সালে বিচারপতি ছিলেন ১০ জন এবং মামলা ছিল ১২ হাজার ৪৪১টি। ওই বছর দায়ের হয় চার হাজার ৭৪৯ মামলা, নিষ্পত্তি হয় এক হাজার ৪৪৯টি। বর্তমানে আপিল বিভাগে বিচারপতি রয়েছেন নয়জন।
হাইকোর্ট বিভাগে ২০০৯ সালে বিচারপতি ছিলেন ৭৮ জন, বিচারাধীন মামলা ছিল তিন লাখ ২৫ হাজার ৫৭১টি। ওই বছর দায়ের হয় ৫৩ হাজার ১৫৫টি, নিষ্পত্তি হয় ২১ হাজার ৪৮৫টি। ২০১০ সালে বিচারপতি ছিলেন ৯৪ জন, মামলা ছিল তিন লাখ ১৩ হাজার ৭৩৫টি। দায়ের হয় ৫৭ হাজার ৪৭০টি, নিষ্পত্তি হয় ৬৯ হাজার ৩০৬ মামলা। ২০১১ সালে বিচারপতি ছিলেন ৯৮ জন, মামলা ছিল দুই লাখ ৭৯ হাজার ৪৩৬টি। ওই বছর দায়ের হয় ৪৫ হাজার ৮৪টি এবং নিষ্পত্তি হয় ৬৮ হাজার ৯১২টি। বর্তমানে হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ৯০ জন।
যোগাযোগ করা হলে সোমবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার এ কে এম শামসুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মামলা নিষ্পত্তি হলেও বিচার বিভাগের ওপর আস্থার কারণে মানুষ আদালতে আসছে। ফলে নতুন মামলার সংখ্যাও বাড়ছে। তবে জট কমাতে পুরোনো দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তির জন্য সাল উল্লেখ করে ইতিমধ্যে হাইকোর্টে কয়েকটি একক ও দ্বৈত বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্ট ও ঢাকা জজকোর্টে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রবর্তন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন জনবলের কিছু অভাব আছে। এগুলো নিরসনের চেষ্টা চলছে।
এ প্রসঙ্গে এর আগে আইনমন্ত্রী প্রথম আলোকে বলেছিলেন, জট নিরসনে এডিআর বাধ্যতামূলক করে দেওয়ানি কার্যবিধি সংশোধন করা হয়েছে। ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করলে দণ্ড হ্রাস (প্লি বার্গেইন)সহ ছোটখাটো মীমাংসাযোগ্য বিরোধ এডিআরের মাধ্যমে নিষ্পত্তির বিধান রেখে ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, অহেতুক মামলা করার প্রবণতা মামলাজটের অন্যতম কারণ। তাই অহেতুক মামলাকারীর জরিমানা হিসেবে খরচার পরিমাণ বাড়ানো প্রয়োজন। এ ছাড়া জট নিরসনে অধস্তন আদালত তথা বিচারকের সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন।:n:
বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া জামায়াতের ডাকে ঢিলেঢালা হরতাল:h:
নিজস্ব প্রতিবেদক:a:
বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া সারা দেশে গতকাল সোমবার জামায়াতে ইসলামীর ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ঢিলেঢালাভাবে পালিত হয়েছে। হরতালে রাজধানীতে জীবনযাত্রা ছিল প্রায় স্বাভাবিক। ভোরের দিকে কয়েকটি স্থানে মিছিল ও পিকেটিংয়ের চেষ্টা করলেও বাকি সময় জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মীরা মাঠে ছিলেন না।
বিকেলে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থানা প্রাঙ্গণ ও ফটকে ককটেল নিক্ষেপ করে হরতাল-সমর্থকেরা। কুমিল্লায় শিবিরের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। তবে দেশের অনেক স্থানে হরতাল হয়নি।
আদালত অবমাননার দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াতের তিন নেতাকে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে চার সিটি করপোরেশন এলাকা (রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও বরিশাল) ছাড়া সারা দেশে এই হরতাল ডাকে দলটি।
এদিকে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে আজ মঙ্গলবার অর্ধদিবস হরতাল ডেকেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ।
রাজধানীতে ভোরের দিকে কয়েকটি জায়গায় মিছিল ও পিকেটিংয়ের চেষ্টা করেন জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা। হরতালের প্রভাব নগরজীবনে তেমন ছিল না। ব্যক্তিগত গাড়ি তেমন না চললেও গণপরিবহন চলাচল করেছে। রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল ছিল তুলনামূলক বেশি।
বিমানবন্দর ও কমলাপুর স্টেশন থেকে নির্ধারিত সব বিমান ওঠানামা ও ট্রেন যাওয়া-আসা করেছে। তবে, দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। বেশির ভাগ বিপণিবিতান বন্ধ ছিল। খোলা ছিল অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অফিস।
হরতালে নাশকতা ঠেকাতে অন্য সময়ের মতো গতকালও রাজধানীজুড়ে কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, হরতাল চলাকালে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে ১০ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টিএসসির দিক থেকে একটি মোটরসাইকেলে আসা দুই যুবক শাহবাগ থানার সামনে দুটি ককটেল ফাটিয়ে দ্রুত কাঁটাবনের দিকে চলে যান। এর পরপরই ওই এলাকায় পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয় এবং মোটরসাইকেল ও অটোরিকশায় তল্লাশি শুরু হয়।
গত রোববার রাত পৌনে ১১টার দিকে পুরাতন হাইকোর্ট ভবনে স্থাপিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ফটকের কাছে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ওই এলাকায়ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। হাইকোর্ট মাজার থেকে দোয়েল চত্বর পর্যন্ত সড়ক পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে আটকে রাখে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হরতালের সমর্থনে মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ ও ভাষানটেক এলাকায় জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা মিছিল বের করলে ছাত্রলীগ-যুবলীগের প্রতিরোধের মুখে পড়েন। বেড়িবাঁধ এলাকায় জামায়াতের কর্মী জামাল হোসেনকে পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। ভাষানটেকে দুই পক্ষে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়।
সকালে রায়েরবাগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে আগুন ধরিয়ে অবরোধ করেন শিবিরের কর্মীরা। পুলিশের ধাওয়ায় তাঁরা পালিয়ে যান। এ ছাড়া দনিয়া ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় শিবির মিছিল করে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির বাবুবাজার সেতুর কাছ থেকে মিছিল করে মিটফোর্ড এলাকার দিকে যায়। পুলিশ ধাওয়া দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার এইচআরডি সম্পাদক মাহবুবুর রহমানসহ পাঁচজনকে আটক করে। কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা শিবির লক্ষ্মীবাজারে মিছিল বের করলে পুলিশের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়।
জামায়াত দাবি করেছে, এ ছাড়া ইসলামবাগ, আজিমপুর, কামরাঙ্গীরচর বেড়িবাঁধ, মগবাজার, খিলগাঁও টেম্পো স্ট্যান্ড, ডেমরার হাজীনগরসহ ৩৫টি জায়গায় মিছিল করেছে দলটি। এ সময় দলের আটজন কর্মীকে আটক করে পুলিশ। শিবির বলেছে, সারা দেশে তাদের ৪০ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক ও ২০ জনকে পিটিয়ে আহত করে।
এদিকে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে দলীয় কার্যালয়ের সামনেসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ ও শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চ হরতালের বিপক্ষে মিছিল করে।
রাজধানীর বাইরে: নিজস্ব প্রতিবেদক, সিরাজগঞ্জ জানান, বিকেল চারটার দিকে উল্লাপাড়া থানা প্রাঙ্গণে একটি ককটেল মেরে দ্রুত পালিয়ে যায় হরতাল-সমর্থকেরা। একই সময়ে থানার ফটকের সামনে একটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। এ ছাড়া সকালে বাখুয়া গ্রামের কাছে বগুড়া-নগরবাড়ী সড়কে পুলিশের গাড়িতে দুটি ককটেল ছুড়ে মারে পিকেটাররা। এতে বিস্ফোরণে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন।
নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা জানান, সদর দক্ষিণ উপজেলার ফয়েজগঞ্জে বেলা ১১টার দিকে পুলিশের সঙ্গে শিবির কর্মীদের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় চার পুলিশসহ কমপক্ষে নয়জন আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ২৭টি ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া জানান, সকালে শহরের মফিজ পাগলার মোড় এলাকায় ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনে হরতালচিত্র সরাসরি সম্প্রচারকালে সম্প্রচার দলের ওপর ককটেল নিক্ষেপ করেন জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান ওই টেলিভিশনের বগুড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান প্রতিবেদক হাসিবুর রহমান ও ক্যামেরাম্যান শাজাহান আলী।
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, হরতাল চলাকালে বাসে আগুন দেওয়ার সময় ছাত্রশিবিরের নেতাসহ দুজনকে আটক করে পুলিশ। তাঁরা হলেন শিবিরের সদর উপজেলার ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের সভাপতি আবু রাশেদ ও কর্মী বাপ্পী। আগের রাতে চাষাঢ়ায় দুটি বাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়। নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের জানান, এ ঘটনায় অজ্ঞাত ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আগুন দেওয়ার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে দেলোয়ার, তাহের, কামাল শেখ ও তোফাজ্জল নামের চারজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এদিকে চট্টগ্রাম, খুলনা, পঞ্চগড়, জয়পুরহাট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঝিনাইদহ ও বগুড়ার আদমদীঘিতে হরতালের কোনো প্রভাব পড়েনি।
গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি জানান, দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম মণ্ডলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে আজ সকাল ছয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত স্থানীয় আওয়ামী লীগ গোয়ালন্দ উপজেলায় অর্ধদিবস হরতাল ডেকেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য: গতকাল এক বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, হরতাল চলাকালে কয়েকটি স্থানে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা দুটি গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করেন এবং ১৩টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটান। হরতালের প্রাক্কালে চারটি গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।
এ ছাড়া জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থানার পিকআপ ভ্যানের ওপর ককটেল নিক্ষেপ করেন। এতে উল্লাপাড়া থানার এসআই নুরুজ্জামান ও কনস্টেবল আবু সাঈদ আহত হন। হরতাল সমর্থনকারীরা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক তৎপরতায় সেসব অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়।