নোয়াখালীতে জ্বর-শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসোলেশনে একজনের মৃত্যু
নোয়াখালী ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন এক ব্যক্তি গতকাল রোববার রাতে মারা গেছেন। তিনি জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে গতকাল দুপুরের পর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
মারা যাওয়া ব্যক্তির গ্রামের বাড়ি বেগমগঞ্জ উপজেলায়। তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কিনা জানতে তাঁর নমুনা সংগ্রহ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
আজ সোমবার সকালে মৃত ব্যক্তির বড় বোন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর ভাই বেগমগঞ্জের চৌমুহনীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে চাকরি করতেন। গত কয়েক দিন ধরে ছোট ভাই নিউমোনিয়ায় ভুগছিলেন। গতকাল সকালে তাঁরা তাঁকে জেলা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসককে দেখান। তিনি কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেওয়ার পর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করতে বলেন। সে অনুযায়ী দুপুরের পর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাতে ওই হাসপাতালে তাঁর ভাই মারা যান।
নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম প্রথম আলোকে বলেন, আইসোলেশন ওয়ার্ডে মারা যাওয়া ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল জানার পর এ বিষয়ে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ ফরিদউদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, আইসোলেশন ইউনিটে মারা যাওয়া ওই ব্যক্তি জ্বর, কাশি ও তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে গতকাল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তখনই তাঁকে আইসিইউ সাপোর্ট দেওয়ার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। তাই দ্রুত তাঁকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁর স্বজনেরা তাঁকে নিয়ে যাননি। রাত ১০টার দিকে রোগী মারা যান।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন-উর-রশিদ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তির বাড়ি আজ সোমবার সকালে লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর লাশ বিশেষ ব্যবস্থায় দাফনের সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।