বিলীনের পথে বড় ও ছোট কাটরা

>

পুরান ঢাকার বড় কাটরা ও ছোট কাটরা বিলীন হওয়ার পথে। নতুন নতুন ভবনের জাঁতাকলে অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহাসিক স্থাপনা দুটি। মোগল সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহ সুজার আমলে চকবাজারের দক্ষিণ দিকে স্থাপনাটি নির্মিত হয়। কাটরায় দুটি শিলালিপি রয়েছে। একটি বলছে এটি ১৬৪৩-৪৪ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত। অন্যটি বলছে ১৬৪৫-৪৬ খ্রিষ্টাব্দে। অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের ‘ঢাকা: স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী’ বই অনুসারে, শায়েস্তা খানের আমলে ১৬৬৩-১৬৬৪ খ্রিষ্টাব্দের দিকে ছোট কাটরার নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং শেষ হয় ১৬৭১ খ্রিষ্টাব্দে। ছবিগুলো শুক্রবারের।

ঘিঞ্জি এলাকার কারণে চোখেই পড়ে না ঐতিহাসিক বড় কাটরা।
ঘিঞ্জি এলাকার কারণে চোখেই পড়ে না ঐতিহাসিক বড় কাটরা।
বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকায় বড় কাটরা একটি ‘সংরক্ষিত পুরাকীর্তি’।
বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকায় বড় কাটরা একটি ‘সংরক্ষিত পুরাকীর্তি’।
বড় কাটরায় গড়ে উঠেছে মাদ্রাসা।
বড় কাটরায় গড়ে উঠেছে মাদ্রাসা।
বড় কাটরার গায় এখনো টিকে আছে মোগল কারুকাজ।
বড় কাটরার গায় এখনো টিকে আছে মোগল কারুকাজ।
বহুতল ভবনের আড়ালে ঢাকা পড়েছে ছোট কাটরা।
বহুতল ভবনের আড়ালে ঢাকা পড়েছে ছোট কাটরা।
ছোট কাটরার গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে বহুতল ভবন।
ছোট কাটরার গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে বহুতল ভবন।