রাডার স্থাপনে সমগ্র আকাশসীমা নজরদারিতে আসবে: বিমান প্রতিমন্ত্রী
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সিএনএস-এটিএম সিস্টেমসহ অত্যাধুনিক রাডার স্থাপনের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক রুটে যাতায়াত করা সব বিদেশি উড়োজাহাজ শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এদের থেকে ফ্লাইং ওভার চার্জ আদায় করা যাবে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং ফ্রান্সের রাডার প্রস্তুতকারী কোম্পানি থ্যালাস এলএএসের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান এবং থ্যালাসের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির ভাইস চেয়ারম্যান মি. নিকোলাস। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী ও মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ ম্যাঁরি তখন উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, এ অত্যাধুনিক রাডার স্থাপনের ফলে দেশের সমগ্র আকাশসীমা নজরদারির আওতায় আসবে। এর ফলে বাংলাদেশের আকাশ ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক রুটে যাতায়াত করা সব বিদেশি উড়োজাহাজ শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এদের থেকে ফ্লাইং ওভার চার্জ আদায় করা যাবে। নতুন ও অত্যাধুনিক এই রাডার ও এটিসি টাওয়ার স্থাপনের ফলে দেশের আকাশসীমা হবে আরও সুরক্ষিত। বিমান চলাচল হবে আরও নিরাপদ এবং এভিয়েশন খাত থেকে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ বাড়বে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাডার, এটিসি টাওয়ার স্থাপন ছাড়াও কমিনিউকেশন, নেভিগেশন, সারভেইল্যান্স ও এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে। এর ফলে দেশে এয়ার নেভিগেশনে বর্তমানে যে প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে তা দূর হবে এবং আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল সংস্থার বাধ্যবাধকতাও পূরণ করা সম্ভব হবে। দেশের এয়ার নেভিগেশন হবে সময়োপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানের।