
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলেছেন, জলাবদ্ধতা নিরসনের ত্বরিত কোনো পথ নেই। কারণ সব খাল বন্ধ। খালের ওপর পাঁচতলা বাড়ি, মাঠ। কোথায় যাবে পানি? তাই খাল উদ্ধার করতে হবে। নতুন খাল বানাতে হবে। যেখানে স্লুইসগেট ছোট হয়ে গেছে, সেখানে সংস্কার আনতে হবে। আপাতত ওয়াসাকেই কাজগুলো করে দিতে হবে।
গতকাল বুধবার ঢাকার জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি দেখতে রাস্তায় নামেন মেয়র আনিসুল হক। তার অংশ হিসেবে মিরপুরের সাংবাদিক খাল এলাকায় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, ‘এখন আমরা গুলশান ১৮ নম্বর থেকে এসেছি, যেখানে লেক করতে গিয়ে একটা বাঁধ দিয়েছিল রাজউক। এর ফলে পানিপ্রবাহ আটকে গেছে। এতে ওই এলাকার ১০টা রাস্তা পুরো ডুবে গেছে। আমরা সকালে ওই বাঁধ কেটে দিয়েছি। এখন পানি নাই। আবার কুড়িলের পাশে দেখে আসলাম নতুন করে খালে মাটি ফেলা হয়েছে। ফলে এটা এমন একটা সমস্যা ফুঁ দিলে সমাধান হবে না।’
আনিসুল হক বলেন, ‘আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। গত বছর যে এলাকায় আমরা পাইপ, রিং বসিয়েছি, সে এলাকায় এ বছর পানি নাই। সময় লাগবে।’
সাংবাদিক খালের পানি নড়ে না। ১০ ফিটের খাল আজকে ২ ফুট। শুধু এটা না, মিরপুরের যত খাল আছে, এক চিত্র, এই তথ্য জানিয়ে আনিসুল হক বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন গত সপ্তাহে আমরা সমন্বয় সভা করেছি। ওয়াসা দায়িত্ব ছেড়ে দিতে চাইছে। আমরা বলেছি আমরা দায়িত্ব নিতে চাই। কিন্তু দায়িত্ব নিয়ে কাজ শুরু করা তো অনেক সময়ের ব্যাপার। সুতরাং ওয়াসাকে জরুরি ভিত্তিতে এই খালগুলো খনন করে দিতে হবে। এ ছাড়া কিন্তু পানি নড়ার কোনো রাস্তা নেই।’