সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসনিক কর্মকর্তার কারাদণ্ড

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এক প্রশাসনিক কর্মকর্তার ছয় বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ওই কর্মকর্তার স্ত্রীর তিন বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার বিশেষ জজ-৫ এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান আজ বৃহস্পতিবার এই রায় দেন। দণ্ডিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন গোলাম ফারুক। তাঁর স্ত্রীর নাম সৈয়দা মমতাজ। দুজনই পলাতক।
রায়ে বলা হয়েছে, গোলাম ফারুকের অবৈধ সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হলো। রায়ের তথ্য বলছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গোলাম ফারুককে সম্পদের বিবরণী জমা দিতে ২০১১ সালের ১৮ এপ্রিল নোটিশ দেয় দুদক। পরে গোলাম ফারুক দুদকে তাঁর সম্পদের হিসাব জমা দেন। ফারুক ৭০ লাখ ৫১ হাজার ২৯৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেন। তদন্ত শেষে গোলাম ফারুক ও তাঁর স্ত্রী মমতাজের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর আদালত দুদকের দেওয়া অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে এই দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। দুদকের পক্ষ থেকে আদালতে আটজন সাক্ষীকে হাজির করা হয়।
আদালত বলেছেন, গোলাম ফারুক দুদকের কাছে ৭০ লাখ ৫১ হাজার ২৯৬ টাকার তথ্য গোপন করেছেন। দুদকের কাছে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে অপরাধ করেছেন। ফারুকের অবৈধ সম্পদে করা ছয় তলা বাড়ি নিজে দখলে রেখে মমতাজও শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। দুদকের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেছেন আইনজীবী রুহুল ইসলাম খান।