সুমাইয়ার অপেক্ষায় মা-বাবা

সুমাইয়া
সুমাইয়া

কামরাঙ্গীরচরের বাড়ির আঙিনায় খেলছিল শিশু সুমাইয়া (৫)। একপর্যায়ে সে নিখোঁজ হয়ে যায়। ২ এপ্রিলের ঘটনা এটি। এরপর কেটে গেছে ১৬ দিন। কিন্তু এখনো খোঁজ মেলেনি সুমাইয়ার।
সুমাইয়ার বাবা জাকির হোসেন স্টিল কারখানার কর্মচারী, মা গৃহিণী।
সুমাইয়া হারিয়ে যাওয়ার পরপরই তার বাবা জাকির হোসেন কামরাঙ্গীরচর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি (মিসিং জিডি) করেন। বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রজিবুলকে। তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে গতকাল মঙ্গলবার রাতে তিনি বলেন, তাঁরা এলাকায় ‘লোক’ লাগিয়েছেন। মাইকিং করেছেন। থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইয়াসিন নিজে বিষয়টি দেখছেন।
পরিদর্শক মো. ইয়াসিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তাঁরা বসে নেই। খোঁজ করছেন। গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতা চাইছেন না কেন—জানতে চাইলে ইয়াসিন বলেন, শিশুটিকে কেউ অপহরণ করেছে বলে তাঁরা মনে করছেন না।
সুমাইয়ার মা মুনিয়া বেগম প্রথম আলোকে বলেন, ২ এপ্রিল তিনি আসরের নামাজ পড়ছিলেন। ওই সময় সুমাইয়া দরজা খুলে উঠানে যায়। মিনিট বিশেক পর ঘর থেকে বের হয়ে দেখেন সে উঠানে নেই। তারপর গোটা এলাকা তন্নতন্ন করে খুঁজেছেন। কিন্তু খোঁজ মেলেনি।
বাবা-মায়ের প্রশ্ন, যে মেয়ে জন্মের পর থেকে কামরাঙ্গীরচরে ছিল, নিজের নাম, বাবা-মায়ের নাম, ঠিকানা এমনকি গ্রামের বাড়ির ঠিকানাও বলতে পারে, সে কী করে হারিয়ে যায়?