সূচিশিল্পীদের ব্যস্ততা

>

ঈদের আর খুব বেশি দেরি নেই। তাই শেষ মুহূর্তে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জেনেভা ক্যাম্পে ব্যস্ত সময় পার করছেন সূচিশিল্পীরা। কথা বলার ফুরসতও পাচ্ছেন না একেকজন কারিগর। জরি, চুমকি, সাদা পুঁতি দিয়ে চলছে নিখুঁত হাতের কাজ। কারিগরেরা জানালেন, ঈদের পোশাকে সব মানুষই একটু নতুনত্ব চায়, সেটা মাথায় রেখেই কাজ করছেন তাঁরা। একটি পোশাক তৈরিতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত লেগে যায়। কাজের হিসাব অনুযায়ী, ৫০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত মজুরি পান একেকজন কারিগর। বিভিন্ন দোকান থেকে ও ব্যক্তিগতভাবে হাতের কাজের অর্ডার নেন তাঁরা। তবে ভারতীয় কাপড়ের কারণে তাঁদের চাহিদা কমে যাচ্ছে, এমন অভিযোগ করেন কেউ কেউ। ছবিগুলো গতকাল বৃহস্পতিবারের।

ঈদ সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ত সময় পার করছেন সূচিশিল্পীরা।
ঈদ সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ত সময় পার করছেন সূচিশিল্পীরা।
নকশায় ভিন্নতা আনতে লাল কাপড়ের ওপর তোলা হচ্ছে সাদা পুঁতি দিয়ে নকশা।
নকশায় ভিন্নতা আনতে লাল কাপড়ের ওপর তোলা হচ্ছে সাদা পুঁতি দিয়ে নকশা।
চলছে কাজ, কথা বলার ফুরসত নেই কারিগরদের।
চলছে কাজ, কথা বলার ফুরসত নেই কারিগরদের।
কাজ শুরুর আগে এমন সাদা রং দিয়ে নকশা আঁকিয়ে নেওয়া হয়।
কাজ শুরুর আগে এমন সাদা রং দিয়ে নকশা আঁকিয়ে নেওয়া হয়।
বিয়ের ওড়না তৈরি করছেন নারীরা।
বিয়ের ওড়না তৈরি করছেন নারীরা।
সূচিশিল্পীদের অভিযোগ, ভারতীয় কাপড় দেশে আসায় তাঁদের কাজের তেমন চাহিদা নেই।
সূচিশিল্পীদের অভিযোগ, ভারতীয় কাপড় দেশে আসায় তাঁদের কাজের তেমন চাহিদা নেই।
তৈরির পর সাজিয়ে রাখা পোশাক।
তৈরির পর সাজিয়ে রাখা পোশাক।
জরি, পুঁতি, চুমকি দিয়ে পোশাকে করা হয় নকশা। একটা পোশাক তৈরিতে সময় লাগে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা।
জরি, পুঁতি, চুমকি দিয়ে পোশাকে করা হয় নকশা। একটা পোশাক তৈরিতে সময় লাগে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা।
কাজ করছেন একজন কারিগর।
কাজ করছেন একজন কারিগর।