স্ত্রীকে সুস্থ করে তুলতে দৌড়ঝাঁপের শেষ নেই আবদুর রাজ্জাকের

ফাহমিদা সুলতানা

বগুড়ার একটি বেসরকারি কলেজে প্রভাষক পদে চাকরি করতেন আবদুর রাজ্জাক। কিন্তু সংসারে টানাটানি যেন শেষই হচ্ছিল না। ভাগ্যবদলের স্বপ্নে সেখান থেকে সস্ত্রীক ঢাকা চলে আসেন তিনি। শুরু করেন ব্যবসা। স্ত্রী ফাহমিদা সুলতানাও চাকরি নেন বেসরকারি একটি সংস্থায়। সব মিলিয়ে সংসার ভালোই চলছিল। কিন্তু হঠাৎ নেমে এল ঝড়। লিভার ক্যানসার ধরা পড়ল ফাহমিদার। মুহূর্তে তাঁদের সেই স্বপ্ন ভেঙে টুকরা টুকরা হয়ে গেল।

স্ত্রীকে সুস্থ করে তুলতে আবদুর রাজ্জাকের শুরু হয় এ হাসপাতাল-ও হাসপাতালে দৌড়ঝাঁপ। দফায় দফায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা। চলে ওষুধপথ্য। কিন্তু ফাহমিদার শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। মাসের পর মাস স্ত্রীকে নিয়ে ছুটে একপর্যায়ে চিকিৎসকের পরামর্শে ভারতের কলকাতায় ক্যানসার বিশেষজ্ঞদের শরণাপন্ন হন তিনি। তাঁর সেই দৌড়ঝাঁপ আজও শেষ হয়নি।

শনিবার রাতে কথা হয় আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সর্বশেষ মাস দুই আগে কলকাতার একজন খ্যাতনামা ক্যানসার বিশেষজ্ঞের কাছে গিয়ে দেখিয়েছেন ফাহমিদাকে। বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন ওই চিকিৎসক। পাশাপাশি সুস্থতার জন্য দ্রুত লিভার প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

আবদুর রাজ্জাক বলেন, ইতিমধ্যে স্ত্রীর চিকিৎসা বাবদ ৫-৬ লাখ টাকা খরচ হয়েছে তাঁর। লিভার প্রতিস্থাপনে প্রয়োজন অন্তত ৫০ লাখ টাকা। আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের কাছ থেকে সহায়তা নিয়ে এত দিন খরচ মিটিয়েছেন। এখন অবশিষ্ট টাকা আর জোগাড় করতে পারছেন না। অথচ স্ত্রীকে বাঁচাতে লিভার প্রতিস্থাপনের কোনো বিকল্পও খুঁজে পাচ্ছেন না।

এ অবস্থায় অসুস্থ ফাহমিদার চিকিৎসায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে সমাজের হৃদয়বান ও বিত্তশালী মানুষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন আবদুর রাজ্জাক।
সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা: ফাহমিদা সুলতানা, হিসাব নম্বর: ১৭৮.১৫১.৯৬৪৭০, ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক, রামপুরা শাখা, ঢাকা-১২০৯। বিকাশেও সহায়তা পাঠানো যাবে। নম্বর: ০১৭১১-২৪৭৪৭০, ০১৯৭৫-৫৫১৫৯৮ (পার্সোনাল)।