বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তিনটি বিষয়ে সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের অনেক অবদান। তিনটি বিষয় হলো: প্রবৃদ্ধিতে গতি আনা, দারিদ্র্য বিমোচন এবং মানব উন্নয়ন। এই তিন খাতের জন্য তিনি নানা নীতি গ্রহণ করেন। তাঁর এই অবদানের জন্য স্বীকৃতি পাওয়া উচিত। তিনি অবশ্য পরিণত বয়সে মারা গেছেন। তবু দেশের মেধাসম্পদের ক্ষেত্রে বড় ক্ষতি হয়ে গেল।

default-image

তাঁর সঙ্গে আমার অনেক মধুর স্মৃতি আছে। যেমন ১৯৮২ সালে তিনি অর্থমন্ত্রী থাকাকালে বিশ্বব্যাংক একটি প্রকল্প নিয়ে আসে। প্রকল্পের বিষয়বস্তু হলো বাণিজ্য-সহায়ক নীতি। বাণিজ্য সম্প্রসারণে কী কী ঘাটতি আছে, কী করতে হবে—এসব নিয়ে প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়। আমার পিএইচডির বিষয়বস্তু ছিল বাণিজ্য-সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করা। মূলত বিশ্বব্যাংক আমার পিএইচডির ব্যবহারিক দিক বিবেচনা করে প্রকল্পটির প্রস্তাব দিয়েছিল। তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল মুহিত যখন শুনলেন, আমার পিএইচডির বিষয়বস্তু নিয়ে প্রকল্পটি আনা হয়েছে, তখন তিনি আমাকে ওই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক বানানোর বিষয়টি চূড়ান্ত করেন। আমার প্রতি তাঁর অগাধ স্নেহ থেকেই তিনি এটা করেছিলেন। কিন্তু আমি সেখানে যোগ দিতে পারি না। কারণ, একই সময়ে এসকেপ-এর চাকরির প্রস্তাব পাই। আমি এসকেপের ব্যাংকক কার্যালয়ে যোগ দিই।

আমি যখন অর্থ উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেছি, তখন শিল্পঋণ সংস্থা ও শিল্প ব্যাংককে একীভূত করার উদ্যোগ নিই। আমার এই উদ্যোগের খুব প্রশংসা করেছিলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিভিন্ন সভা-সেমিনারে তিনি সবার সামনেই বলতেন, আমি এটি করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পারিনি। তুমি করলে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন