বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইতিমধ্যে এডিপির মাধ্যমে প্রকল্পে বরাদ্দের ক্ষেত্রে ৫২ দফা নির্দেশনা জারি করেছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো যেসব প্রকল্প আগামী অর্থবছরে শেষ হবে, সেসব প্রকল্পে অগ্রাধিকারমূলক বরাদ্দ মিলবে। জাতীয় স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প তুলনামূলকভাবে কম বরাদ্দ পাবে।

তবে আগামী অর্থবছরে পদ্মা সেতু প্রকল্পের জন্য আর বরাদ্দ লাগবে না বলে জানা গেছে। কারণ, আগামী জুন মাসেই সেতু খুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোরেল নির্মাণের মতো বড় প্রকল্পে বরাদ্দ বাড়বে বলে জানা গেছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঈদের পরে মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় নতুন এডিপি অনুমোদিত হতে পারে। আগামী এডিপিতে দাতা দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে প্রকল্প সাহায্য হিসেবে ধরা হয়েছে ৯৩ হাজার কোটি টাকা। বাকিটা দেশজ উৎস থেকে জোগান দেওয়া হবে।

করোনার কারণে গত দুই বছর এডিপির আকার তেমন বাড়ানো হয়নি। গত দুই বছরে এডিপির আকার (সংশোধিত এডিপি ধরে) বেড়েছে ৪ থেকে ৭ শতাংশ। আগামী অর্থবছরে এডিপির আকার বাড়ছে ১৩ শতাংশের মতো। চলতি অর্থবছরে মূল এডিপির আকার ছিল ২ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। কাঙ্ক্ষিত হারে বাস্তবায়ন না হওয়ায় এডিপির আকার সংশোধন করে ২ লাখ ১৭ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা করা হয়। আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত এডিপির আকার বেড়েছে প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকা।

করোনার সময়ে ২০২০-২১ অর্থবছরে এডিপির আকার বেড়েছে ৭ শতাংশের মতো। এর আগের অর্থবছরে এডিপির আকার মাত্র ৪ শতাংশ বেড়েছিল। করোনার আগের বছরগুলোতে প্রতিবারই এডিপির আকার আগেরবারের চেয়ে ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে, কিন্তু করোনার সময়ে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আদায় না হওয়ায় এডিপির আকার খুব বেশি বাড়ানো হয়নি।

এদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে প্রকল্প বাস্তবায়ন গতানুগতিক ধারায় আছে। গত জুলাই-মার্চ মাস সময়ে সংশোধিত এডিপির ৪৫ শতাংশের মতো বাস্তবায়ন হয়েছে। খরচ হয়েছে ৯৮ হাজার ৯৩৪ কোটি টাকা।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন