বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সেলিমা আহমাদ আরও বলেন, করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরুর পর থেকে ব্যবসা বন্ধ আছে, কিন্তু বেতন ও বিল দিতে হচ্ছে, এমন উদ্যোক্তাও আছেন। অনেকের অগ্রিম জমা টাকা থেকে দোকানের ভাড়া কেটে নেওয়া হয়েছে।

নারী উদ্যোক্তারা বলেন, লকডাউনের কারণে সীমান্ত ও যোগাযোগ বন্ধ থাকায় ব্যবসা পুরোপুরি বন্ধ ছিল। সে সময় বিদেশি অর্ডার বাতিল হয়ে যায়। ফলে অনেক উদ্যোক্তা লাইসেন্স নবায়নে সমস্যায় পড়েছেন। এ ছাড়া প্রণোদনা প্যাকেজে নতুন উদ্যোক্তাদের ঋণ পাওয়ার সুযোগ নেই।

এর জবাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের মহাব্যবস্থাপক হুসনে আরা শিখা বলেন, প্যাকেজের ৫ শতাংশ নারীদের দিতে বলা হয়েছিল, তবে ঋণ পেয়েছেন ৬ শতাংশ উদ্যোক্তা। নারী উদ্যোক্তাদের জন্য দেড় হাজার কোটি টাকা ঋণ বরাদ্দ আছে, যার সুদহার ৩ শতাংশ। এর জন্য কেউ আবেদন করছেন না। নারী উদ্যোক্তা ও ব্যাংকারদের মধ্যে দূরত্ব দূর করতে হবে।

উদ্যোক্তা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন