দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আরও বলেন, ‘এ ধরনের হঠকারী সিদ্ধান্ত কীভাবে হলো? এই বাজেটে গরিব মানুষের জন্য কিছু হলো না, কিন্তু বিদেশে বেনামে সম্পদধারীদের সুযোগ দেওয়া হলো। তাহলে এই বাজেট কার জন্য হলো? এটা কীভাবে ছিনতাই হয়ে গেল, সেটিই আজকে দেখার বিষয়।’

অন্যদিকে পাচার করা টাকা ফেরত আনার উদ্যোগকে ‘দিবাস্বপ্ন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের কোর গ্রুপ সদস্য ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, যাঁরা টাকা পাচার করে ফেলেছেন, তাঁরা আবার এই টাকা দেশে আনবেন, এটা দিবাস্বপ্নের মতো। এর আগে একাধিকবার কালোটাকার সাদা করার সুযোগ দেওয়া হলেও তেমন সাড়া মেলেনি।’

তিনি একটি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘পি কে হালদার ধরা পড়েছেন। কিন্তু তাঁর টাকা ফিরিয়ে আনার বিষয়টি এখন আর পি কে হালদারের হাতেও নেই। তাঁর অর্থ ফেরত পাঠাতে ভারতের আপত্তি থাকতে পারে। দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক চুক্তি থাকতে হবে। অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন করে আমরা এগমন্ট গ্রুপের সদস্য হয়েছিলাম। এখন আমরা তাদের কাছে কী জবাব দেব?’

রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে এই সংবাদ সম্মেলন হয়। এতে বক্তব্য দেন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সমন্বয়ক আনিসাতুল ফাতেমা ইউসুফ, সেভ দ্য চিলড্রেনের পরিচালক রিফাত বিন সাত্তার, বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের পরিচালক কাশফিয়া ফিরোজ ও অভিযানের নির্বাহী পরিচালক বনানী বিশ্বাস।

মধ্যবিত্তরা এখন ত্রিমুখী আক্রমণের শিকার বলে মনে করেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। এগুলো হলো বৈষম্যমূলক অর্থনৈতিক বাজেটীয় পদক্ষেপ, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন