অনুষ্ঠানে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের সিইও আয়েশা আজিজ খান বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট ভালনারেবিলিটি ফোরামের (সিভিএফ) সদস্য হিসেবে ২০৪১ সালের মধ্যে জাতীয় জ্বালানি চাহিদার ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে তৈরি করার অঙ্গীকার করেছে। তার ধারাবাহিকতায় সামিট ও আমাদের অংশীদার জেরাকে সাথে নিয়ে বিশ্বমানের অভিযোজন পদ্ধতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা শূন্য কার্বন নির্গমনের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে কাজ করব।’

জেরা এশিয়ার সিইও তোসিরো কুদামা বলেন, ‘জেরা এশিয়া বাংলাদেশে তার ডিকার্বনাইজেশন প্রচেষ্টা বাস্তবায়নে সামিটের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আনন্দিত। জেরা নিজেও ২০৫০ সালের মধ্যে তার অভ্যন্তরীণ ও বিদেশি কার্যক্রমে কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন কমিয়ে নেট জিরো অর্জন করতে চাইছে। আমরা বিশ্বাস করি, জেরা ও জাপানের অভিজ্ঞতার আলোকে সামিট ও সর্বোপরি বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পারব।’

আশা করা যাচ্ছে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়বে। বিভিন্ন জ্বালানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যকারিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানো এবং প্যারিস চুক্তির লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন