বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ৩১ আগস্ট স্থানীয় সরকার বিভাগ হাটহাজারী পৌর এলাকা সম্প্রসারণের অভিপ্রায় প্রকাশ করে জোবরাসহ চারটি এলাকাকে অন্তর্ভুক্ত করে। এ নিয়ে প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়েছে। বাকি তিনটি এলাকা হলো দেওয়াননগর, মধ্য পাহাড়তলী ও মেখল। সাধারণত কোনো এলাকাকে চূড়ান্ত অন্তর্ভুক্তির আগে এমন অভিপ্রায় প্রকাশ করে প্রজ্ঞাপন দেওয়া হয়।

২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক ও এর প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়। গ্রামীণ ব্যাংকের জন্য জোবরা গ্রাম বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করে। ক্ষুদ্রঋণ নামে নতুন একটি ধারণা নিয়ে ১৯৮৩ সালে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে জন্ম নেয় গ্রামীণ ব্যাংক। ড. মুহাম্মদ ইউনূস এটি প্রতিষ্ঠা করেন। এর ভিত্তি কিন্তু রচিত হয়েছিল আরও অনেক আগে, চট্টগ্রামের হাটহাজারীর প্রত্যন্ত গ্রাম জোবরায়। তখন ওই গ্রামের প্রায় শতভাগ মানুষই দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করত। সবাই ছিল ‘দিন আনে দিন খায়’ অবস্থার।

১৯৭৪ সালে এই জোবরা গ্রামের হতদরিদ্র মানুষকে নিয়ে কাজ শুরু করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের তৎকালীন শিক্ষক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিশ্ববিদ্যালয়ের পল্লি অর্থনীতি কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি তাঁর ছাত্রদের নিয়ে জোবরা গ্রামে যান। ব্যাংকসুবিধার বাইরে থাকা এসব গ্রামীণ দরিদ্র নারী-পুরুষকে নিয়ে তাঁরা গবেষণা করেন। পরে প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে ওই সব গরিব মানুষের জন্য ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি চালু করেন। এভাবেই জোবরা হয়ে ওঠে ক্ষুদ্রঋণের সূতিকাগার। বর্তমানে দেশের ৮১ হাজার ৬৭৮টি গ্রামে গ্রামীণ ব্যাংক বিস্তৃত আছে। আর প্রতিষ্ঠানটির সদস্যসংখ্যা প্রায় ৯৪ লাখ।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন