বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি গাজীপুরের টঙ্গীর খরতৈল এলাকায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে অভিযান চালায় ভ্যাট গোয়েন্দাদের একটি দল। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাহিদুল ইসলাম। অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জানতে চাইলে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মইনুল খান প্রথম আলোকে বলেন, ইতিমধ্যে কাই অ্যালুমিনিয়ামের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা হিসেবে মামলা হয়েছে। ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানই পার পাবে না।

অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক নিরীক্ষা প্রতিবেদন, দাখিলপত্র (মূসক-১৯), ট্রেজারি চালানের কপি ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত যাচাই করেন গোয়েন্দারা। প্রতিষ্ঠানটির ২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত সময়ের লেনদেন তদন্ত করে মূসক ফাঁকির এই তথ্য পান ভ্যাট গোয়েন্দারা।

তদন্তে গোয়েন্দারা দেখতে পান, আলোচ্য সময়ে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন সেবার বিপরীতে উৎসে মূসক, সেই মূসকের ওপর আরোপিত সুদ ও অবৈধভাবে গৃহীত রেয়াত মিলিয়ে মোট ৮ কোটি ৬৪ লাখ ২০ হাজার টাকার মূসক ফাঁকি দিয়েছে। এর মধ্যে ৫ কোটি ৬৮ লাখ ৮৫ হাজার টাকা মূসক, ২৫ লাখ ৮ হাজার টাকা অবৈধভাবে গৃহীত রেয়াত এবং ২ কোটি ৭০ লাখ ২৭ হাজার টাকা সুদ।

ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর জানিয়েছে, তদন্তের সময় প্রতিষ্ঠানটিকে আত্মপক্ষ সমর্থনে পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ফাঁকি দেওয়া ভ্যাট আদায়ের আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে ঢাকা উত্তর ভ্যাট কমিশনারেটের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন