শেয়ারবাজারে সূচকের সাড়ে ৬ হাজার পয়েন্ট বিনিয়োগকারীদের কাছে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক সীমা। ডিএসইএক্স সূচকটি এ মনস্তাত্ত্বিক সীমার নিচে নেমে যাওয়ায় নতুন করে আবারও আতঙ্ক ভর করেছে বিনিয়োগকারীদের মনে। সূচকের পাশাপাশি কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। ঢাকার বাজারের লেনদেন ফিরে গেছে এক বছর আগের অবস্থানে। গতকাল দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৯০ কোটি টাকা। এর আগে সর্বশেষ গত বছরের ৫ এপ্রিল সর্বনিম্ন ২৩৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল।

বেশ কিছুদিন ধরে শেয়ারবাজারে টানা পতন চলছে। তারই ধারাবাহিকতায় গতকালের বড় পতনে সূচক ফিরে গেছে এক বছরে আগের অবস্থানে। আর লেনদেন ফিরে গেছে সাড়ে আট মাস আগের অবস্থানে। বাজারের এ পরিস্থিতিতে চরম হতাশা বিরাজ করছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। ঈদের আগে শেয়ারবাজার থেকে লাভের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা একেবারে ক্ষীণ হয়ে পড়েছে বিনিয়োগকারীদের কাছে। সাধারণত ঈদের আগে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ বাজার থেকে টাকা তুলে নিয়ে ঈদের খরচ মেটান। কিন্তু এবার সেই সুযোগ কম। শেয়ার বিক্রি করে টাকা তুলতে গেলে বড় অঙ্কের লোকসান গুনতে হবে।

বাজারের এতটাই ভয়াবহ পতন চলছে যে বাছবিচার ছাড়াই সব শেয়ারের দাম কমছে। মূল্যবৃদ্ধির তালিকায় থাকছে হাতেগোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। গতকাল ডিএসইতে ৩৮০ প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়। এর মধ্যে মূল্যবৃদ্ধির তালিকায় ছিল মাত্র ১৪টি প্রতিষ্ঠান। আর দাম অপরিবর্তিত ছিল ১৯টির। বাকি ৩৪৭ বা ৯১ শতাংশেরই দাম কমেছে।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন