বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে চলমান তেলসংকট নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘আমার জানামতে দেশে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা তো ব্যবসা করবেন লাভের জন্য, লোকসান দিয়ে তো করবেন না। এই জায়গায় সরকারি সংস্থাগুলোর, বিশেষ করে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের পরিকল্পনায় ঘাটতি ছিল।’

হেলাল উদ্দিন আরও বলেন, তেল আমদানি করে আনতে হয়। বিশ্ববাজারে তেলের দাম যখন বাড়ে, তখন ট্যারিফ কমিশনের কাছে বারবার দাম পুনর্নির্ধারণের কথা বলা হলেও তারা করব,করছি করে সেটা আর করেনি। রোজার মাসে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ অনুরোধে ব্যবসায়ীরা আগের দামে তেল বিক্রি করেছেন। তখনো পার্শ্ববর্তী দেশসহ অন্য অনেক দেশে দাম বাড়তি ছিল। এদিকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সবাই তো জানে যে তেলের দাম বাড়বে। ফলে ঈদের সময়ে এসে তেল নিয়ে ‘গুজবীয়’ সংকট তৈরি হয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে এখানেও দাম কমবে বলে মনে করেন হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে এখানেও দাম কমাতে হবে। একজন দাম না কমালে অন্যজন তো কম দামে আমদানি করে পণ্য বিক্রি করবে। আবার যখন দাম বাড়বে, তখন বাজারকে বাজারের জায়গায় ছেড়ে দিতে হবে। ব্যবসা তো জোর করে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির নেতারা খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে ভ্যাট আদায় নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। এ সময় তাঁরা এসব সমস্যা নিরসনে আগামী বাজেট সামনে রেখে খুচরা পর্যায়ে ভ্যাট কমানোসহ চার দফা দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সহসভাপতি রেজাউল ইসলাম, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ পোশাক প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির সভাপতি আলাউদ্দিন মালিক, মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আজমল হোসেন, বাংলাদেশ টাইলস ডিলারস অ্যান্ড ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল বেলাল প্রমুখ।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন