বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ক্যাফে রিওর বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, তারা বুফেতে রাখা পেস্টির জন্য বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদন নেয়নি। অন্যদিকে দ্য ফরেস্ট লাউঞ্জের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, তারা মেয়াদোত্তীর্ণ তরল দুধ সংরক্ষণ করে রেখেছে। একই সঙ্গে গরুর মাংস রেখেছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে।

ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর বলছে, বিএসটিআইর অনুমোদন না নেওয়া, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পণ্য রাখা ও মেয়াদোত্তীর্ণ তরল দুধ সংরক্ষণের কারণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ব্যত্যয় ঘটেছে। সে জন্য ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় দুই প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ টাকা করে জরিমানা ও আদায় করা হয়েছে।

এ নিয়ে যোগাযোগ করা হলে ক্যাফে রিওর ব্যবস্থাপক রাসেল তালুকদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘দোষ-ত্রুটি সব প্রতিষ্ঠানেই থাকে। কেউই শতভাগ শুদ্ধ নয়। আমরা তাদের কাছে সংশোধনের সুযোগ চেয়েছি। কিন্তু সংশোধনের সুযোগ না দিয়ে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করেছে।’

জানতে চাইলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ দুধ রাখা হয়েছে। তা ছাড়া পণ্যে বিএসটিআইর অনুমোদন ছিল না। তিনি আরও বলেন, ওই ভবনের অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থার লাইসেন্সও নবায়ন করা হয়নি। সে কারণে ভবনের মালিককে আগামী মঙ্গলবার অধিদপ্তরে ডাকা হয়েছে।

এদিকে একটি বিউটি পারলার ও মিস্টার বেকার নামের প্রতিষ্ঠানেও শনিবার তদারকি করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আইন লঙ্ঘনের দায়ে প্রতিষ্ঠান দুটির কাছ থেকে পাঁচ হাজার করে দশ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ ছাড়া ভাইবস নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে মনিটরিং করা হয় এবং বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন