বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিকবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান বলেন, আইন প্রণয়নকারী, প্রয়োগকারী ও মান্যকারীদের মধ্যে সমন্বয় থাকা জরুরি। তা না হলে আইন লক্ষ্য অর্জন করে না।

বিশেষ অতিথি ছিলেন এনবিআরের প্রথম সচিব (আয়কর নীতি) শহীদুল ইসলাম। তিনি বলেন, এনবিআর মনে করে যে সবার মতামত নিয়েই আইনটি করা দরকার। এ জন্য এনবিআর সময় নিয়েছে। তবে বেশি দেরি করারও সুযোগ নেই।

বিল্ডের চেয়ারপারসন আবুল কাসেম খান বলেন, আয়কর আইন চূড়ান্ত হওয়ার পথে। ব্যবসায়ীরা এ বিষয়ে বিস্তারিত জানেন না। ব্যবসায়ীদের কাছে এনবিআরের পক্ষ থেকে মতামত চাওয়া হলেও সময় দেওয়া হয়েছে খুব কম।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্নেহাশীষ মাহমুদ অ্যান্ড কোং-এর অংশীদার স্নেহাশীষ বড়ুয়া। তিনি উৎসে করের হার পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করে বলেন, প্রস্তাবিত আইনে রপ্তানিকারকেরা বাড়তি করের চাপে পড়বেন।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, কর ছাড় না দিলে পুঁজিবাজার এগোবে না। ব্যবসায়ের অনেক ক্ষেত্রে দ্বৈত কর রয়েছে, যা ব্যবসার জন্য বাধা। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হঠাৎ পরিদর্শন বন্ধ করতে হবে।

আইসিএবির সাবেক সভাপতি হ‌ুমায়ূন কবির বলেন, আয়কর আইনের পরিবর্তন যেন সামাজিক অসন্তোষ সৃষ্টি না করে। নতুন আইনটি এনবিআর প্রণয়ন না করে, নিরপেক্ষ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে করলেই ভালো হবে।

রাজধানীর পল্টনে ইআরএফ কার্যালয়ে আয়োজিত এই সভায় সংগঠনটির সভাপতি শারমীন রিনভী সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইআরএফের সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন