রপ্তানিকারকেরা বলছেন, রপ্তানির এ ধারা অব্যাহত থাকলে বছর শেষে পণ্য রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। চলতি অর্থবছরের জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৩৫০ কোটি মার্কিন ডলার। সেই হিসাবে ৯ মাস শেষে পণ্য রপ্তানি আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৬১ কোটি ডলার। অর্থবছর শেষ হতে বাকি এখনো তিন মাস।

লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে ৩ মাসে ৪৮৯ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করতে হবে।
রপ্তানিকারকেরা বলছেন, বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দুই মাসেই রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। কারণ মার্চ মাসেই রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৭৬ কোটি ডলার।

প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে, গত ৯ মাসে (জুলাই ২০২১-মার্চ ২০২২) তৈরি পোশাক খাতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৯ শতাংশের বেশি পণ্য রপ্তানি আয় হয়েছে। এই সময়ে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৬৩৩ কোটি মার্কিন ডলার। বিপরীতে আয় হয়েছে ৩ হাজার ১৪২ কোটি ডলার। আর গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৭৯৪ কোটি ডলার, প্রায় ৩৪ শতাংশ। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নিটওয়্যার ও ওভেন গার্মেন্ট খাতেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি রপ্তানি আয় হয়েছে। নিটওয়্যার খাতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৪৯ কোটি ও ওভেন গার্মেন্ট খাতে ২৫৯ কোটি ডলার বেশি আয় হয়েছে।

অন্যান্য পণ্যের মধ্যে ম্যানুফ্যাকচারড কমোডিটিস (সিমেন্ট, লবণ, পাথর ইত্যাদি) খাতে ১৮ শতাংশের বেশি বা ৫৮৩ কোটি ডলার, হিমায়িত ও লাইভ ফিশ খাতে প্রায় সাড়ে ১৪ শতাংশ বা সাড়ে ৫ কোটি ডলার, কৃষিপণ্যে ১৫ শতাংশ বা ১২ কোটি ডলার বেশি আয় হয়েছে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে। এ ছাড়া কেমিক্যাল, প্লাস্টিক ও লেদার খাতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে। তবে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন