বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ৫২টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২ হাজার ৮০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে। এক টনে এক হাজার কেজি। সে হিসাবে ইলিশ যাবে ২০ লাখ ৮০ হাজার কেজি। ১ কেজি ৯০০ টাকা ধরে হিসাব করলে দাম দাঁড়ায় ১৮৭ কোটি ২০ লাখ টাকা।
প্রতিটি প্রতিষ্ঠান রপ্তানি করতে পারবে ৪০ টন করে। রপ্তানির জন্য অবশ্য কয়েকটি শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

বলা হয়েছে, বিদ্যমান রপ্তানি নীতি ২০১৮-২১–এর বিধিবিধান মানতে হবে। শুল্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রপ্তানিকৃত ইলিশের কায়িক পরীক্ষা করাতে হবে। প্রতিটি চালান (কনসাইনমেন্ট) শেষে রপ্তানিসংক্রান্ত কাগজপত্র বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দাখিল করতে হবে।

এ ছাড়া অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি পরিমাণ ইলিশ রপ্তানি করা যাবে না। অনুমতির মেয়াদ কার্যকর থাকবে আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত। অনুমতি কোনোভাবেই হস্তান্তরযোগ্য নয়। অনুমোদিত রপ্তানিকারক ছাড়া ঠিকায় (সাব-কন্ট্রাক্ট) রপ্তানি করা যাবে না।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিকারক সমিতির (বিএফএফইএ) সভাপতি মো. আমিন উল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাংলাদেশ বছরে প্রায় ছয় লাখ টন ইলিশ উৎপাদন হয়, যদিও এবার এখন পর্যন্ত ইলিশের সরবরাহ কিছুটা কম। তবে পুরো মৌসুম সামনে পড়ে আছে। ফলে দুই চার দশ হাজার টন ইলিশ রপ্তানি হলে বাজারে প্রভাব পড়বে না।’

আমিন উল্লাহ আরও বলেন, হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিকারকেরা মূলত চিংড়ি রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি দুটোই কম। এই সময়ে অল্প ইলিশ রপ্তানির সুযোগ পেলে ব্যবসায়ীরা টিকে থাকতে পারবেন। তবে ইলিশ রপ্তানির সময়সীমা আরেকটু বাড়ালে বাজারে কম প্রভাব পড়বে। কারণ, স্বল্প সময়ে রপ্তানির বাধ্যবাধকতা থাকায় সব রপ্তানিকারক কাছাকাছি সময়ে বাজার থেকে ইলিশ কিনতে যাবেন।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন