বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিএসইসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আর্থিক সামর্থ্য না থাকার পরও সুহৃদের তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদ প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্যে ওই লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। তাই দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রতারণার দায়ে ফৌজদারি মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

২০১৪ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় কোম্পানিটি। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর মাধ্যমে কোম্পানিটি বাজার থেকে ১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির আগেই প্রাক্‌ আইপিও প্লেসমেন্টের মাধ্যমেও অর্থ সংগ্রহ করে কোম্পানিটি। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির কিছুদিন না যেতেই কোম্পানিটির মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। হাতবদল হয় মালিকানার। নানা অনিয়ম শুরু হয় কোম্পানিতে। এর মধ্যে প্লেসমেন্ট শেয়ারধারী ও উদ্যোক্তা–পরিচালকেরা তাঁদের হাতে থাকা শেয়ার বাজারে বিক্রি করে দেন। সর্বশেষ ২০১৯ সালে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয় শেয়ারের দাম বাড়াতে। অথচ লভ্যাংশ দেওয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য কোম্পানিটির ছিল না।

প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কোম্পানিটির উদ্যোক্তা–পরিচালকদের হাতে রয়েছে মাত্র ১২ শতাংশ শেয়ার। অথচ বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর উদ্যোক্তা–পরিচালকদের হাতে সব সময় ৩০ শতাংশ শেয়ার থাকা বাধ্যতামূলক।

এদিকে ডিএসইর ওয়েবসাইটে সংরক্ষিত কোম্পানিটির ওয়েবসাইটে ক্লিক করে দেখা যায়, সেটি আর কার্যকর নেই। এমনকি কোম্পানিটির করপোরেট প্রোফাইলে ক্লিক করে সেখানেও কিছু পাওয়া যায়নি।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন